সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘ স্বীকৃতি দিয়েছে। ৬২টি দেশের ৫৫২টি প্রকল্পের মধ্যে সেরা হয়েছে বাংলার কন্যাশ্রী। বিশ্ব দরবারে এই নজির এবার রাজ্যের পড়ুয়ারা পাঠ্যবইয়ে জানতে পারবেন। আগামী বছর থেকে স্কুল পাঠ্যে থাকছে কন্যাশ্রীর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির খবর। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন কন্যাশ্রীর রাষ্ট্রসংঘের নজিরের বিষয় সিলেবাসে থাকবে। শীঘ্রই এই নিয়ে সিলেবাস কমিটি বৈঠকে বসছে।
[রাষ্ট্রসংঘে সম্মানিত কন্যাশ্রী, বাংলার মানুষকে পুরস্কার উৎসর্গ মুখ্যমন্ত্রীর]
মাত্র ৪ বছর। তার মধ্যেই রাজ্য নারী শিক্ষার ছবিটা অনেকটা বদলে দিয়েছে কন্যাশ্রী। মেয়েদের স্কুলমুখী করার পাশাপাশি তাদের মানোন্নয়নে কন্যাশ্রীর ভূমিকা জানতে পেরেছে গোটা দুনিয়া। প্রায় ৩১ লক্ষ ছাত্রীর মাথায় এখন কন্যাশ্রীর ভরসার ছাতা। কিছু দিন আগে ইউনিসেফ এই প্রকল্পের প্রশংসা করেছিল। এবার রাষ্ট্রসংঘ ৬২টি দেশের ৫৫২টি প্রকল্পের মধ্যে সেরা হিসাবে বেছে নিয়েছে কন্যাশ্রীকে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্পের এই প্রাপ্তিতে গোটা রাজ্য প্রভাবিত। কন্যাশ্রীর সুফল ইতিমধ্যে সিলেবাসে জায়গা পেয়েছে। বর্তমানে স্কুলপাঠ্যে বিচ্ছিন্নভাবে কন্যাশ্রী প্রকল্পের উল্লেখ রয়েছে। এবার সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে কন্যাশ্রীর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্তির কথা সিলেবাসে রাখা হবে। একথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। শিক্ষামন্ত্রীর সংযোজন, এই প্রকল্পে বিশ্বে সাড়া ফেলেছে। স্বীকৃতি দিয়েছে রাষ্ট্রসংঘ। এই স্বীকৃতির কথা আগামী বছর পাঠ্যপুস্তকে ২-৪ লাইন সংযোজিত হবে। আগামী প্রজন্ম যাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবদান মনে রাখতে পারেন তার জন্য এই উদ্যোগ।
[তিরন্দাজির আন্তর্জাতিক মঞ্চে সোনা রাজ্যের ‘কন্যাশ্রী’ মণিকার]
সূত্রের খবর, সিলেবাস কমিটি বুধবার এই নিয়ে বৈঠকে বসতে চলেছে। যেখানে কন্যাশ্রীর বিষয় উল্লেখ রয়েছে, সেখানে এটি ফলাও করা হবে নাকি অন্য কোথাও সংযোজিত হবে তা নিয়ে আলোচনা হবে। এই বৈঠকের পর ঠিক হবে কোন কোন বইতে কন্যাশ্রীর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি জায়গা পাবে। ইতিমধ্যেই সিঙ্গুর আন্দোলনকে পাঠ্যসূচিতে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। আগামী বছর থেকে সিঙ্গুরের ঘটনা পড়ুয়ারা বইতে জানতে পারবে। এবার তারা কন্যাশ্রীর বিশ্বজয়ের কথাও থাকবে পাঠ্যপুস্তকে।