Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Asaduddin Owaisi

বিজেপি-আরএসএসের অনেক আগে এসেছিল মুঘলরা, হিন্দুত্ববাদীদের হুঙ্কার ওয়েইসির

ভারত ঠাকরে বা মোদির নয়, মন্তব্য AIMIM প্রধানের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৯, ২০২২, ১৪:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৯, ২০২২, ১৪:০০

options
link
বিজেপি-আরএসএসের অনেক আগে এসেছিল মুঘলরা, হিন্দুত্ববাদীদের হুঙ্কার ওয়েইসির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিিটাল ডেস্ক: ভারত বালা সাহেব ঠাকরে (Bal Thackeray) বা নরেন্দ্র মোদির (Narendara Modi) নয়। এই দেশ দ্রাবিড় ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের। শনিবার মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) একটি জনসভায় নিজের বক্তব্যে এমনই দাবি করলেন এআইএমআইএম (AIMIM) প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি (Asaduddin Owaisi)। বিজেপি (BJP) ও আরএসএস-কে (RSS) ঠুকে ওয়েইসি বলেন, বিজেপি-আরএসএসের অনেক আগে এসেছিল মুঘলরা।

গেরুয়া শিবির দেশে বৈদিক ভারতীয় সংস্কৃতি ফেরাতে বদ্ধপরিকর। তাদের বক্তব্য, মুঘলরা বিদেশি। তারা বৈদিক ভারতীয় সংস্কৃতির ক্ষতি করেছে, একই পথ অনুসরণ করেছিল ইংরেজরা। বিরোধীদের বক্তব্য, মোদি সরকারও হিন্দুত্বের লাইনেই হাঁটছে। এরা ক্ষমতায় থাকলে ভবিষ্যতে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষিত হবে। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই বৈদিক শিক্ষার প্রচার ও প্রসারে বেদ-ভিত্তিক শিক্ষা বোর্ড (Veda-based Education Board) গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রের শিক্ষা মন্ত্রক। সম্প্রতি ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে বৈদিক শিক্ষার পক্ষ নিয়ে কথা বলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী। এই পরিস্থিতিতে মহারাষ্ট্রের এক সভায় এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি বললেন, “ঠাকরে, মোদি-অমিত শাহ, এমনকী আমারও নয় ভারত। যদি তা কারও হয় তবে তাঁরা হলেন দ্রাবিড় ও আদিবাসী সম্প্রদায়। বিজেপি-আরএসএস এসেছে মুঘলদের অনেক পরে।” ওয়েইসি আরও বলেন, “ইতিহাসের পথ ধরে আফ্রিকা, ইরান, মধ্য এশিয়া ও পূর্ব এশিয়ার মানুষ এদেশে আসার পরেই আজকের ভারত গড়ে ওঠে।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘ঐক্যেই শক্তি’, হিন্দি বিতর্কের মাঝেই ‘মন কি বাতে’ আঞ্চলিক ভাষায় জোর মোদির]

এছাড়াও এদিন নবাব মালিকের গ্রেপ্তারি নিয়ে এনসিপি (NCP) নেতা শরদ পাওয়ারকে (Sharad pawar) একহাত নেন ওয়েইসি। প্রশ্ন তোলেন, শিব সেনা সাংসদ সঞ্জয় রাউতের বেলায় যা করেছিলেন পাওয়ার, তা মালিকের ক্ষেত্রে কেন করলেন না? ওয়েইসির বক্তব্য, মুসলিম বলেই মালিকের পাশে দাঁড়ায়নি পাওয়ার। 

[আরও পড়ুন: সেনায় চার বছরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ, অবসরের পর স্থায়ী পদে ফিরবেন মাত্র ২৫ শতাংশ]

এআইএমআইএম প্রধানের কটাক্ষ, “বিজেপি, এনসিপি, কংগ্রেস, এসপি ধর্মনিরপেক্ষ দল! এদের কেউ কখনও জেলে যেতে পারে না, তবে মুসলিম সদস্য হলে যেতেও পারে। এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ার মোদির সঙ্গে দেখা করে সঞ্জয় রাউতের বিরুদ্ধে যাতে কড়া ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তা রুখে ছিলেন। আমি এনসিপি কর্মীদের কাছে জানতে চাই, পাওয়ার একই কাজ নবাব মালিকের বেলায় কেন করলেন না?” 

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.