Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬

বঙ্গোপসাগরের তীরে অত্যন্ত গোপনে কী কর্মযজ্ঞ চালাচ্ছেন ভারতীয় বিজ্ঞানীরা?

কী এই 'অক্ষয় পাত্র'?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০১৭, ০৭:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০১৭, ০৭:০৪

options
link
বঙ্গোপসাগরের তীরে অত্যন্ত গোপনে কী কর্মযজ্ঞ চালাচ্ছেন ভারতীয় বিজ্ঞানীরা? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লোকচক্ষুর আড়ালে বঙ্গোপসাগরের তীরে এক বিপুল কর্মযজ্ঞে শামিল হয়েছেন ভারতের তাবড় তাবড় বিজ্ঞানীরা। দিন-রাতের হিসেব না রেখে এক ছাদের নিচে জড়ো হয়েছেন দেশের শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানীরা। ওই বহু প্রতীক্ষিত প্রকল্পের কাজ শেষ হলে পারমাণবিক গবেষণায় বহুদূর এগিয়ে যাবে ভারত।

কিন্তু কী চলছে সেখানে?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ফিরল ১৯৬২-র স্মৃতি, সিকিম সীমান্তে ফের বিপুল সেনা মোতায়েন ভারতের]

গত ১৫ বছর ধরে সাধারণ মানুষের চোখের আড়ালে চেন্নাইয়ের কালপাক্কামে এক দৈত্যাকার ‘হাই-টেক’ পারমানবিক চুল্লি তৈরির কাজ চালাচ্ছেন ভারতীয় বৈজ্ঞানিকরা। এবার সেই বিপুল কর্মযজ্ঞ প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। সংবাদ সংস্থা পিটিআই এই খবর প্রকাশ্যে আনতেই দেশ জুড়ে হইচই পড়ে গিয়েছে। ডিপার্টমেন্ট অফ অ্যাটমিক এনার্জির বিজ্ঞানীরা এই পারমাণবিক চুল্লিকে পৌরাণিক ‘অক্ষয় পাত্র’র সঙ্গে তুলনা করছেন। মাস্টার ফাস্ট এই ব্রিডার রি-অ্যাক্টর তৈরি হচ্ছে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে। এই পারমাণবিক চুল্লি অন্যান্য প্রথাগত চুল্লি অনেক বেশি কার্যকরী হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

DDLBVimW0AA3UkG

বৈজ্ঞানিকরা জানিয়েছেন, কালপাক্কামে সকলের অজান্তে  যে চুল্লি তৈরি হচ্ছে, তাতে কম খরচে অনেক বেশি জ্বালানি উৎপাদন সম্ভব হবে। আন্তর্জাতিক অ্যাটমিক এনার্জি এজেন্সির(IAEA) ডিরেক্টর জেনারেল ইউকিয়া আমানো বলেছেন, “প্রথাগত পরমাণু চুল্লির চেয়ে এই ধরনের মাস্টার ফাস্ট ব্রিডার রি-অ্যাক্টরে অন্তত ৭০ শতাংশ বেশি শক্তি উৎপাদন করা যাবে। এর পাশাপাশি এই ধরনের রি-অ্যাক্টর অত্যন্ত নিরাপদ। এতে পরিবেশ দূষণ কম হয়।” গত ২৭ বছর ধরে ভারত একইরকম একটি ফাস্ট ব্রিডার ‘টেস্ট’ রি-অ্যাক্টর তৈরি করে কাজ চালাচ্ছিল। কিন্তু কালপাক্কামের নয়া চুল্লির কাছে ওই পরীক্ষামূলক চুল্লিটি নেহাতই ‘শিশু’। ‘প্রোটোটাইপ’ ফাস্ট ব্রিডার রি-অ্যাক্টরটি থেকে যে বিদ্যুৎশক্তি উৎপন্ন হবে তা বাণিজ্যিক কাজের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।

[বড়সড় সাফল্য কাশ্মীরে, সেনার গুলিতে নিহত দুই শীর্ষ লস্কর জঙ্গি]

DDWJFPVXgAEeMFY

এই মুহূর্তে গোটা বিশ্বে একটিমাত্র এরকম বাণিজ্যিক পারমাণবিক চুল্লি রয়েছে। রাশিয়ার উরাল পাহাড়ে অবস্থিত বেলোয়ার্স্ক নিউক্লিয়ার (বিএন) পাওয়ার প্লান্ট। ১৯৮০ থেকে রাশিয়া এই বিএন ফাস্ট ব্রিডার রি-অ্যাক্টর মারফত শক্তি উৎপাদনে বিশ্বের প্রথম স্থানে রয়েছে। ২০১৬-ই রুশ সরকার আরও বৃহৎ, ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম বিএন৮০০-কে বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের ছাড়পত্র দেয়। ইন্দিরা গান্ধী সেন্টার ফর অ্যাটমিক রিসার্চ বা IGCAR-এর অরুণ কুমার ভাদুড়ি বলেছেন, “কারেন্ট জেনারেশন নিউক্লিয়ার প্লান্টের তুলনায় এই ফাস্ট ব্রিডার রি-অ্যাক্টরগুলি ঢের বেশি নিরাপদ। সেই সঙ্গে অফুরন্ত বিদ্যুৎশক্তির জোগান দিতে পারে।” সেই কারণেই এই প্রকল্পকে ‘অক্ষয় পাত্র’ বলছেন বৈজ্ঞানিকরা।

[জলদস্যু তাড়াতে চিনের নৌসেনাকে হেলিকপ্টার থেকে ‘সাপোর্ট’ ভারতীয় সেনার]

atomic-web

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.