Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২২ জুন ২০২৬
Bankura chained man

‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর খবরের জের, বাঁকুড়ার শিকলবন্দি যুবককে হাসপাতালে পাঠাল পুলিশ

পরিবারের দাবি, মানসিক ভারসাম্যহীন ওই যুবক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৯, ২০২২, ১৯:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৯, ২০২২, ১৯:২৬

options
link
‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর খবরের জের, বাঁকুড়ার শিকলবন্দি যুবককে হাসপাতালে পাঠাল পুলিশ zoom

টিটুন মল্লিক, বাঁকুড়া: হাতে বাটি, পায়ে শিকল, পরনে গামছা। এভাবেই রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন যুবক। খোঁজ নিতেই জানা গিয়েছিল করুণ কাহিনী। স্রেফ অর্থের অভাবে সুস্থ তরতাজা যুবকের শরীরে জাঁকিয়ে বসেছে রোগ। ঠাঁই হয়ছিল অন্ধকার চার দেওয়ালের ভিতর। তাঁকে আলোর পথে ফেরানোর উদ্যোগ নিল পুলিশ ও  জেলা প্রশাসন। যুবককে ভরতি করা হল হাসপাতালে।

বাঁকুড়া (Bankura) খাতড়া ব্লকের ধারগ্রামের বাসিন্দা মিঠুন দুলে। বছর দশের আগে আর পাঁচজনের মতোই সুস্থ স্বাভাবিক ছিলেন। সংসারের অভাব ঘোচাতে পাড়ি দিয়েছিলেন দিল্লি। সেটাই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বছর পাঁচেক আগে ফিরেছিলেন গায়ে ধুম জ্বর নিয়ে। পরিবারের দাবি, তারপর থেকে ধীরে ধীরে মানসিক ভারসাম্য হারাতে শুরু করেন মিঠুন। দিন আনা দিন থাওয়া সংসারের ভাত জুগিয়ে ছেলের চিকিৎসা করানো সম্ভব হয়নি। ফলে দিন যত এগিয়েছে অসুস্থতা বেড়েছে মিঠুনের। সু নিরুপায় বাবা-মা ছেলের পায়ে শিকল পরাতে বাধ্য হয়েছেন। মিঠুনের মা পেশায় দিনমজুর ভারতী দেবী জানান, “সুস্থ তাজা ছেলেটি আমার গিয়েছিল। জ্বর নিয়ে ফিরে এল। তারপর থেকেই হারিয়েছে ভারসাম্য।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘বসে যান’, নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দলীয় কর্মীদের নির্দেশ BJP নেতা দুধকুমার মণ্ডলের]

কিন্তু চিকিৎসা করেননি কেন? এই প্রশ্নের উত্তরে মিঠুনের বাবা জানকী দুলে বলেন, “আর্থিক অনটনের কারণে পরিবারের সকলের মুখে দুবেলা দুমুঠো ভাত তুলে দিতে পারছি না। তখন ছেলের চিকিৎসা খরচ চালাব কী করে। মাঝেমধ্যেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে বিভিন্ন জায়গায় চলে যায়। সেই কারণে শিকল বাঁধতে হয়েছে।” সম্প্রতি সংবাদ প্রতিদিনে প্রকাশিত হয়েছিল মিঠুনের করুণ কাহিনী। তাতেই নড়েচড়ে বসল পুলিশ-প্রশাসন। রবিবার সকালে মিঠুনে একচিলতে কুঁড়েঘড়ে হাজির হন পুলিশ কর্তারা। সেথান থেকেই তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে চিকিৎসার জন্য। ছেলে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবে, সেই অপেক্ষায় দিনগোনা শুরু বৃদ্ধ দুলে দম্পতির।

 

[আরও পড়ুন: বাম আমলেও চাকরি হত সুপারিশেই! SSC দুর্নীতি নিয়ে টানাপোড়েনের মাঝেই ভাইরাল ‘সুপারিশপত্র’]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.