Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জানেন, কেন ধর্মান্তরিত হলেন এই মুসলিম আইনজীবী?

কেন আনোয়ার হলেন আনন্দ?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৬, ২০১৭, ০৭:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৬, ২০১৭, ০৭:৪৬

options
link
জানেন, কেন ধর্মান্তরিত হলেন এই মুসলিম আইনজীবী? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মুসলিম হয়ে হিন্দু মন্দিরে কেন যান? কেনই বা দিনে পাঁচ বার নমাজ পড়েন না? দিনের পর দিন স্থানীয় কট্টরপন্থীদের এমনই প্রশ্নে জেরবার হয়ে গিয়েছিল তাঁর জীবন। এড়িয়ে গিয়েও কোনও লাভ হচ্ছিল না। প্রতিদিন যেন অত্যাচারের মাত্রা বেড়েই চলেছিল। এমনকী, বাড়িতে হামলার ঘটনাও ঘটেছিল বলে অভিযোগ। নিত্যদিনের এই চোখরাঙানি থেকে বাঁচতেই ধর্মান্তরিত হলেন বলে দাবি মহম্মদ আনোয়ার নামে বিহারের এক আইনজীবীর। যিনি গ্রহণ করলেন হিন্দু ধর্ম। আনন্দ ভারতী হিসেবে গ্রহণ করলেন নতুন পরিচয়।

[স্বেচ্ছায় শয্যাসঙ্গী হন চরিত্রহীন অভিনেত্রীরা, সাংসদের মন্তব্যে বিতর্কের ঝড়]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এক সংবাদমাধ্যম সূত্রে সামনে এসেছে এই খবর। যাতে নিজের ধর্মান্তরিত হওয়ার এই কারণগুলি ব্যাখ্যা করেছেন আনোয়ার। জানিয়েছেন, প্রথম থেকেই উদার মতবাদ পোষণ করেন তিনি। মসজিদ এবং মন্দির দুই জায়গাতেই প্রার্থনার জন্য যান বেগুসরাইয়ের ৪৬ বছরের বাসিন্দা। কিন্তু তাঁর এই যাতায়াত নিয়েই আপত্তি তুলতে থাকেন স্থানীয় ইমাম ও তাঁর সঙ্গীরা। বারবার উত্যক্ত করতে থাকেন তাঁকে। এ জন্যই তিনি স্থানীয় বজরং দলের প্রধান শুভম ভরদ্বাজের সঙ্গে দেখা করেন। শুভম জানান, হিন্দুত্ব কোনও ধর্ম নয়, এটি জীবনের একটি পথ। এই কথাই তিনি আনোয়ারকে বুঝিয়েছিলেন। এর পর নিজে থেকেই আনোয়ার ধর্মান্তরিত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। শুধু তিনিই নন, তাঁর পরিবারও হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করেছে। আনোয়ারের দুই ছেলে আমির ও সাবিরের নাম দেওয়া হয়েছে অমন ও সুমন ভারতী।

[ভাঁড়ারে অন্ন নেই তবুও মিসাইল উৎক্ষেপণ করে আস্ফালন পাকিস্তানের]

বেগুসরাইয়ের পুলিশ সুপার রঞ্জিত মিশ্রও এই ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, আনোয়ার নিজের ইচ্ছেতেই আনন্দ হয়েছেন। এ নিয়ে আগেই তিনি হলফনামা জমা দিয়েছেন। তাই এ বিষয়ে পুলিশের কিছু করার নেই। ভারতবর্ষে প্রত্যেকের অধিকার রয়েছে নিজের ইচ্ছে অনুযায়ী জীবনযাপন করার। আর আনোয়ার ওরফে আনন্দ তাই করছেন।

[বিয়ের আসরে এল না পাত্রী, ক্ষতিপূরণের দাবি পাত্রের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.