Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গো-মাংসর স্বাদ বাড়াতে গরুকে এ কী খাওয়ানো হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ায়?

নতুনত্বে মজেছে বিশ্ব।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০১৭, ০৮:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০১৭, ০৮:১৪

options
link
গো-মাংসর স্বাদ বাড়াতে গরুকে এ কী খাওয়ানো হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ায়? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  সকাল-বিকেল। দু বেলার মেনুতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে চকোলেট। সঙ্গে ক্যান্ডি, কুকিস। পরিমাণ প্রায় ২ কেজি। এটা কোনও জন্মদিন বা অনুষ্ঠানের খাবার নয়, এক একটি গরুর উদর ভর্তির জন্য এমন আয়োজন হয় অস্ট্রেলিয়ার এক পশুখামারে। গোখাদ্যে মিষ্টতার ব্যবহারে নাকি গো-মাংস আরও সুস্বাদু হয়েছে বলে দাবি ফার্ম মালিকের। বিদেশ থেকে প্রচুর অর্ডারও পাচ্ছেন। যেসব পর্যটকরা ওই ফার্মে বেড়াতে আসছেন তারাও ধন্য ধন্য করছেন।

[বিজেপি শাসিত হরিয়ানায় বেঘোরে মৃত ২৫টি গরু]

ঘাস, বিচুলি খেলে গরু তাগড়াই হবে। এই পদ্ধতি গো-মাংস উৎপাদনকারী দেশগুলিতে অনেক আগেই পরিত্যক্ত হয়েছে। নতুনত্বের খোঁজে অস্ট্রেলিয়ায় আজব কাণ্ড ঘটিয়েছেন ফার্ম মালিক স্কট ডি ব্রুইনে। তাঁর খামারে গরুদের খাবার হিসাবে দেওয়া হয় চকোলেট, ক্যান্ডি এবং কুকিস। এইসব মিষ্টিজাতীয় খাবার খেয়ে গরুর মাংস আরও সুস্বাদু হয়েছে। বিদেশে চাহিদা বাড়ছে এই চকোলেট বিফের। গরুর জন্য এমন খাবারের তারিফ করছেন খাদ্যরসিকরা। মেলবোর্ন ও অ্যাডিলেডের মাঝে প্রায় ৩ হাজার একর জুড়ে রয়েছে এই ফার্ম। বিশালাকার এলাকা হওয়ায় গবাদি পশুর নিশ্চিন্তের ঠিকানা। যে খামার থেকে তৈরি ওয়াগু বিফের সুনাম দুনিয়ার নানা প্রান্তে। গো-মাংস আরও সুস্বাদু করতে চকোলেট, ক্যান্ডি, কুকিস খাওয়ানো হয়। গরুদের এভাবে মিষ্টিজাতীয় খাবারের ব্যাপারে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন। ময়ূরা স্টেশন নামে ওই সংস্থার দাবি, মিষ্টিযোগে বিফের স্বাদ নাকি আরও খুলেছে। ১৮৪৫ সালে থেকে এই ফার্ম চলছে। তবে গো-খাদ্যে চকোলেট দেওয়া হচ্ছে ১৯৯৬ থেকে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[‘গরু ভগবান ও মায়ের সমান’]

ফার্মে ওয়াগু প্রজাতির গরু থেকে সব থেকে ভাল মানের বিফ তৈরি হয়। কালো এবং লাল রংয়ের গরু এই মাংসের জোগানদার। মূলত জাপান থেকে এই গরুগুলি আনা হয়। রোজ প্রতিটি গরুকে প্রায় দু কেজি করে খাবার দেওয়া হয়। এর মধ্যে সিংহভাগ থাকে চকোলেট, কুকিস এবং ক্যান্ডি। তিনটের মিশ্রণ অবশ্য ঠিকঠাক হতে হয়। সেই মাপ কী হবে তা ফার্মের দক্ষ কর্মীদের অভিজ্ঞতায় গাঁথা রয়েছে। সংস্থার কর্ণধার স্কট ডি ব্রুইন বলছেন, অধিকাংশ খদ্দেরদের কাছে এই গো-মাংস দারুন সমাদৃত হয়েছে। ওয়াগুর এই নতুন স্বাদে অনেকেই মজেছেন। খামারের গরুদেরও নতুন স্বাদ মনে ধরেছে। স্কটের কথায়, খাওয়ার সময় ওদের কৌতুহল সেটা প্রমাণ করে। রোজ প্রায় ৩০০ কেজি বিফ এই ফার্ম থেকে চলে যায় চিন, সিঙ্গাপুর এবং দুবাইয়ের নামকরা রেস্তোঁরাগুলিতে। ব্রুইনের বাবা অস্ট্রেলিয়ার পরিচিত পশু ব্যবসায়ী ছিলেন। বিদেশ থেকে গরু আনার চল তিনি শুরু করেন। ব্রুইনের হাত ধরে গো-মাংসের নতুন স্বাদের খোঁজ পেয়েছে দুনিয়া।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.