সুকুমার সরকার, ঢাকা: বাংলাদেশের জমি থেকে সন্ত্রাস নির্মূল করার অভিযানে বড়সড় সাফল্য পেল নিরাপত্তাবাহিনী। সোমবার রাতে পুলিশি অভিযানে সুনামগঞ্জ সীমান্ত থেকে ধরা পড়ে মেঘালয়ের কুখ্যাত জঙ্গিনেতা কুচিং মারাক (৩৫)। ওই জঙ্গি মেঘালয়ের মেন্দিপাথর বস্তির লিজেং এলাকার বাসিন্দা বলে পুলিশ সূত্রে খবর। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তাহিরপুর উপজেলার ‘ট্রাইবেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনে’র চেয়ারম্যান পূলক আজিমের বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। সেখানেই লুকিয়ে ছিল ওই জঙ্গি।পুলিশি অভিযানে অন্যরা পালিয়ে গেলেও গ্রেপ্তার হয় কুচিং মারাক। ভারতীয় পুলিশের অভিযানে কোনঠাসা হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে ওই জঙ্গি।
[বাংলাদেশে ধৃত খাগড়াগড় কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড নাসিরুল্লাহ]
খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি সরকারের আমলে সন্ত্রাসের চারণভূমিতে পরিণত হয়েছিল বাংলাদেশ। উলফা থেকে শুরু করে উত্তর-পুর্বাঞ্চলের একাধিক জঙ্গি সংগঠন প্রশিক্ষণ শিবির ও ডেরা বানায় সে দেশে। তবে পরিস্থিতি পালটে যায় শেখ হাসিনার আওয়ামী লিগ ক্ষমতায় আসার পর। দেশজুড়ে শুরু হয় সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান। মজবুত হয় ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কও। সম্প্রতি, বাংলাদেশের সিলেট, ঢাকা-সহ একাধিক জায়গায় অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন জঙ্গিকে নিকেশ করে নিরাপত্তাবাহিনী। ওই জঙ্গিদের মধ্যে বেশিরভাগই জামাত সদস্য।
প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে পুলিশের জালে ধরা পড়ে খাগড়াগড় কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত নাসিরুল্লাহ ওরফে সোহেল মাহফুজ। শনিবার রাতে মুর্শিদাবাদ সীমান্ত সংলগ্ন বাংলাদেশের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ থেকে তিন সাগরেদ-সহ ওই জেএমবি জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শুধু বর্ধমানের খাগড়াগড় কাণ্ড নয়, ঢাকার গুলশন হোলি আর্টিজান রেস্তরাঁয় সন্ত্রাসী হামলার অন্যতম অভিযুক্ত নাসিরুল্লাহ।
[এরকম ভুল ভবিষ্যতে হবে না, ক্ষমা চেয়ে বলল এয়ারটেল]