Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Supreme Court

ইডির ক্ষমতা সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের রায় ‘বিপজ্জনক’, বিবৃতি তৃণমূল-সহ ১৭ বিরোধী দলের

মোদি জমানায় ২৬ শতাংশ বেড়েছে ইডি তল্লাশির হার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩, ২০২২, ১৬:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩, ২০২২, ১৬:১৬

options
link
ইডির ক্ষমতা সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের রায় ‘বিপজ্জনক’, বিবৃতি তৃণমূল-সহ ১৭ বিরোধী দলের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইডির (ED) ক্ষমতা বাড়ানো নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়কে ‘বিপজ্জনক’ বলে আখ্যা দিয়ে বিবৃতি দিল সতেরোটি বিরোধী দল (Opposition Party)। বুধবার তৃণমূল (TMC), শিবসেনা, আপ-সহ বিরোধী দলগুলি আশা করছে যে এই রায় খুব বেশি দিন কার্যকর হবে না। এমনকী, এই রায় পর্যালোচনা করার আবেদন করে ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও বলা হয়েছে যৌথ বিবৃতিতে। সেই সঙ্গে আরও বলা হয়েছে, দীর্ঘমেয়াদি ক্ষেত্রে কী প্রভাব ফেলবে শীর্ষ আদালতের এই রায়, তা নিয়েও বেশ আশঙ্কিত বিরোধী দলগুলি।

গত সপ্তাহেই সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) জানিয়েছিল, অর্থপাচারের মামলায় (PMLA) গ্রেপ্তার, তল্লাশি এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার অনুমতি দেওয়া হল ইডিকে। কিন্তু ইচ্ছামতো গ্রেপ্তার করা যাবে না অভিযুক্তকে। এছাড়াও ইডির দায়ের করা অভিযোগের কপি অভিযুক্তের হাতে দিতে বাধ্য নয় তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে শুধুমাত্র কারণ জানিয়ে দিয়েই গ্রেপ্তার করা যাবে বলেও জানিয়েছিল শীর্ষ আদালত। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মোদি সরকারের আমলে ইডির রেড করার পরিমাণ ২৬ গুণ বেড়ে গিয়েছে। কিন্তু অভিযুক্তদের দোষী প্রমাণিত হওয়ার হার বেশ কমে গিয়েছে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী হবেন রাহুল গান্ধী! ভবিষ্যদ্বাণী লিঙ্গায়ত সম্প্রদায়ের সন্ন্যাসীর]

বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “অর্থপাচার মামলায় ইডির ক্ষমতা বৃদ্ধি নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট যা রায় দিয়েছে, তার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব সম্পর্কে আমরা খুবই আশঙ্কিত। শীর্ষ আদালতের প্রতি সম্মান জানিয়েই জানাচ্ছি, বৃহত্তর বেঞ্চের রায়ের জন্য অপেক্ষা করে তারপর অর্থপাচার মামলা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল শীর্ষ আদালতের। তবে আমরা আশাবাদী, খুব বেশি দিন এই রায় কার্যকর হবে না।”

রাজনৈতিক প্রতিশোধের অস্ত্র হিসাবে ইডিকে ব্যবহার করা হয়, এই অভিযোগ বহুদিনের। সেই ইডির হাতে প্রচুর পরিমাণে ক্ষমতা দেওয়ার ফলে অনেকেরই মনে হয়েছে, সরকারের বক্তব্যে সায় দিয়েছে শীর্ষ আদালত। বিরোধীদের মতে, সুপ্রিম কোর্টের কাছে নিরপেক্ষ অবস্থান আশা করা হয়। কিন্তু সরকারপন্থী রায় দেওয়ায় ক্ষুব্ধ বিরোধীরা।

[আরও পড়ুন:রাজ্যসভায় ভোটের জন্য ২৫ কোটির প্রস্তাব ছিল, বিস্ফোরক অভিযোগ রাজস্থানের মন্ত্রীর]

 

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.