সুকুমার সরকার, ঢাকা: জঙ্গিদমনে বড়সড় সাফল্য পেল বাংলাদেশের নিরাপত্তাবাহিনী। রবিবার রাতে খুলনায় নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিকেশ হয় দুই কুখ্যাত জঙ্গি। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই জঙ্গিরা হত্যা-সহ একাধিক মামলায় অভিযুক্ত ছিল। তবে জঙ্গিরা কোন সংগঠনের সঙ্গে জড়িত তা এখনও স্পষ্ট নয়।মনে করা হচ্ছে মৃত জঙ্গিরা জামাতের সদস্য হতে পারে।
[বাংলাদেশে ধৃত মেঘালয়ের কুখ্যাত জঙ্গিনেতা]
জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রবিবার রাতে মহানগরীর রেলওয়ে এলাকায় প্রভাতী স্কুলের পাশে একটি কবরস্থানের কাছে জঙ্গিদের ঘিরে ফেলে নিরাপত্তাবাহিনী। আত্মসমর্পণ করতে বলা হলে জঙ্গিরা গুলি চালাতে শুরু করে। পালটা হামলা চালায় নিরাপত্তারক্ষীরাও। শুরু হয় গুলির লড়াই। বেশ কিছুক্ষণ লড়াই চলার পর অবশেষে নিহত হয় ওই দুই জঙ্গি। খুলনা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র এডিসি মনিরা সুলতানা জানান, রাতে ওই এলাকায় জঙ্গিরা লুকিয়ে রয়েছে বলে খবর পায় পুলিশ। তারপরই ঘিরে ফেলা হয় তাদের ডেরা।পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জঙ্গিরা গুলি চালাতে শুরু করে। পুলিশও পালটা গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই মারা পড়ে গুড্ডু বাবু (৩৫) ও আল মাহমুদ (২৪) নামের দুই জঙ্গি। তবে অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে তাদের সঙ্গীরা পালাতে সক্ষম হয়|
প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে রাজধানী ঢাকার বিখ্যাত ঢাকেশ্বরী মন্দিরের সামনে গুলির লড়াইয়ে নিহত হয় এক কুখ্যাত দুষ্কৃতী। তার জঙ্গিযোগ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।এছাড়াও বাংলাদেশে ‘জেহাদি’ সংগঠনগুলির পাশাপাশি ঘাঁটি স্থাপন করেছে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জঙ্গি সংগঠন।গত সপ্তাহেই পুলিশি অভিযানে সুনামগঞ্জ সীমান্ত থেকে ধরা পড়ে মেঘালয়ের কুখ্যাত জঙ্গিনেতা কুচিং মারাক।ক্ষমতায় এসেই দেশে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিয়েছে শেখ হাসিনা সরকার।তবে তাঁর প্রয়াসে ইসলামিক সন্ত্রাস কতটা প্রশমিত হবে তা সময়ই বলবে।
[বাংলাদেশে ধৃত খাগড়াগড় কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড নাসিরুল্লাহ]