Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Rishi Sunak

প্রধানমন্ত্রী পদের দৌড়ে এগিয়ে ট্রাস, অধরাই থাকবে কি সুনাকের ব্রিটেন জয়ের স্বপ্ন?

টোরি ভোটারদের টানতে ব্যর্থ প্রাক্তন ব্রিটিশ চ্যান্সেলর, বলছে রিপোর্ট।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০২২, ১৬:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০২২, ১৬:০০

options
link
প্রধানমন্ত্রী পদের দৌড়ে এগিয়ে ট্রাস, অধরাই থাকবে কি সুনাকের ব্রিটেন জয়ের স্বপ্ন? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল দেশ: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী পদের দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছেন লিজ ট্রাস। শুরুর দিকে ইতিহাস তৈরির যথেষ্ট সম্ভাবনা তৈরি করেও পিছিয়ে পড়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনাক। সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলছে, টোরি ভোটারদের নিজের দিকে টানতে ব্যর্থ হয়েছেন প্রাক্তন ব্রিটিশ চ্যান্সেলর।

সংবাদ সংস্থা এএফপি সূত্রে খবর, পার্লামেন্টে কনজারভেটিভ এমপিদের পছন্দের প্রার্থী সুনাক (Rishi Sunak)। তবে দলের প্রায় দুই লক্ষ টোরি ভোটারের অধিকাংশই ট্রাসের দিকে ঝুঁকে। প্রায় দু’মাস ধরে চলা নির্বাচনে দুই প্রতিপক্ষই দেশজুড়ে প্রচার করেছেন। ভোটারদের মন পেতে টেলিভিশনে তিনটি ডিবেটে মুখোমুখি হয়েছেন। আজ শুক্রবার ভোটদানের শেষদিনেও এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে রাজি নন কেউই। কিন্তু সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলছে, বিরাট ব্যবধানে জয়ী হতে চলেছেন বিদেশ সচিব লিজ ট্রাস। নির্বাচন শেষে আগামী সোমবার অর্থাৎ ৫ সেপ্টেম্বর নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করা হবে। তারপরের দিনই রানি এলিজাবেথের কাছে ইস্তফাপত্র জমা দেবেন কার্যনির্বাহী প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন (Boris Johnson)।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী হলে বিদ্যুতের বিলে ছাড়, কেজরির পথে হেঁটেই ঘোষণা ঋষি সুনাকের]

উল্লেখ্য, পার্টিগেট কেলেঙ্কারির পর গত জুলাই মাসে ক্রিস পিনচার ইস্যুতে দলের অন্দরেই বেনজির বিক্ষোভের মুখে পড়েন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। একপ্রকার বাধ্য হয়েই পদ ছাড়েন তিনি। তারপর থেকে কার্যনির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব সমলাচ্ছেন তিনি। এহেন সময়ে ব্রিটেনের শাসকদল কনজারভেটিভ পার্টির প্রধান তথা দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্বাচন শুরু হয়। ৩৫৮ কনজারভেটিভ সদস্যের পার্লামেন্টে পেনি মর্ডান্ট (৬৭ ভোট) ও বিদেশ সচিব লিজ ট্রাসের (৫০ ভোট) মতো হেভিওয়েটকে পেছনে ফেলে দিয়েছিলেন সুনাক। কিন্তু আগস্ট মাস থেকে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটদান শুরু করেন দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রায় দুই লক্ষ টোরি ভোটার। আর সেখানেই বিপাকে পড়েছেন সুনাক।

প্রসঙ্গত, দাদাভাই নওরোজি যেদিন জিতেছিলেন, তার ১২৩ বছর পরে, ২০১৫ সালে ব্রিটেনে আর-একটি সাধারণ নির্বাচন হয়। সেবারে ইয়র্কশায়ারে রিচমন্ড (ইয়র্কস) নির্বাচনী কেন্দ্র থেকে কনজারভেটিভ প্রার্থী হিসাবে জয়ী হন ৩৫ বছরের ভারতীয় বংশোদ্ভূত তরুণ ঋষি সুনাক। সাউদাম্পটন শহরে জন্ম। এদেশের সবচেয়ে ঐতিহ্যশালী, অভিজাত স্কুলগুলির একটি, উইনচেস্টার কলেজে পড়াশোনা। তারপর অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়। সেখান থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড। অবশ্য ভারতীয়দের কাছে আরও একটি পরিচয় আছে ঋষি সুনাকের। তাঁর স্ত্রী অক্ষতা, ভারতের বিখ্যাত প্রযুক্তি সংস্থা ইনফোসিসের প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণ মূর্তির কন্যা। সবমিলিয়ে ব্রিটেনে নতুন ইতিহাস তৈরি হতেই পারে বলে মনে করেছিলেন অনেকে। কিন্তু সেই আশা পূরণ হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

[আরও পড়ুন: প্রথম দিনেই ধর্মঘট, হবু ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে হুঁশিয়ারি শ্রমিক সংগঠনের]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.