Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Supreme Court

রাজনৈতিক দলের নাম ও প্রতীকে কোনও ধর্মীয় পরিচয় নয়? কী বলছে সুপ্রিম কোর্ট?

কোন কোন দল বিপদে পড়তে পারে?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২২, ১৮:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২২, ১৮:০৯

options
link
রাজনৈতিক দলের নাম ও প্রতীকে কোনও ধর্মীয় পরিচয় নয়? কী বলছে সুপ্রিম কোর্ট? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজনীতি এবং ধর্ম। দু’টিকে আলাদা রাখাই দস্তুর। যদিও সাম্প্রতিক অতীতে সব মিলেমিশে একাকার হওয়ার জোগাড় হয়েছে। ধর্ম এবং রাজনীতির এই ‘মেলবন্ধন’ ভাঙতে মামলা হল সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। কোনও রাজনৈতিক দলের নাম বা প্রতীকে কোনওরকম ধর্মীয় পরিচয় ব্যবহার করা বন্ধ হোক, এই দাবিতে মামলা দায়ের হয়েছে শীর্ষ আদালতে। তার প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্ট আবার কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) মত জানতে চেয়েছে।

কোনও রাজনৈতিক দল নাম বা প্রতীকের মাধ্যমে কোনও ধর্মীয় পরিচয় ব্যবহার করলে, সেই রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হোক। এই দাবিতে মামলা দায়ের করেন উত্তরপ্রদেশ শিয়া ওয়াকফ বোর্ডের প্রাক্তন চেয়ারম্যান সৈয়দ ওয়াসিম রিজভি (Wasim Rizvi)। বিজেপি ঘনিষ্ঠ এই নেতা দাবি করেছেন, অনেক রাজনৈতিক দল নাম ও প্রতীকে ধর্মের পরিচয় ব্যবহার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। যা কিনা রেপ্রেজেন্টেশন অফ দ্য পিপল অ্যাক্টের ১২৩ নম্বর ধারার বিরোধী।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ধানবাদের স্বর্ণ ঋণ প্রদানকারী সংস্থায় ডাকাতের হানা, পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত ১ দুষ্কৃতী]

মামলাকারীর পক্ষে আইনজীবী তথা বিজেপি (BJP) নেতা গৌরব ভাটিয়া দাবি করেছেন,”দু’টি স্বীকৃত রাজনৈতিক দল ‘দ্য ইন্ডিয়ান মুসলিম লিগ’ এবং ‘দ্য অল ইন্ডিয়া মজলিসি ইত্তেহাদুল মুসলিমিন’ (AIMIM) নিজেদের নামেই মুসলিম ধর্মের পরিচয় বহণ করছে। এছাড়াও কয়েকটি রাজনৈতিক দলের প্রতীকেও ধর্মীয় নিশান ব্যবহার করা হচ্ছে।” এই দলগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এই বড় দলগুলির পাশাপাশি হিন্দু একতা পার্টি, খ্রিস্টান ডেমক্র্যাটিক ফ্রন্ট বা সহজধারী শিখ পার্টির মতো দলও আছে এই তালিকায়।

[আরও পড়ুন: ‘কোনও DA বকেয়া নেই’, পুজোর অনুদান মামলায় হলফনামা রাজ্যের]

এরপরই বিচারপতি এমআর শাহ এবং বিচারপতি কৃষ্ণমুরারীর ডিভিশন বেঞ্চ এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের মতামত জানতে চেয়েছে। আগামী ১৮ অক্টোবর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। তার আগে কেন্দ্র এবং কমিশনকে মতামত জানাতে হবে। একই সঙ্গে যে সব দল নিয়ে মামলাকারীদের আপত্তি, সেই দলগুলিকেও এই মামলায় পার্টি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.