Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Bride calls lover

বরের হাত থেকে মঙ্গলসূত্র ছিনিয়ে বউ চুরির চেষ্টা! তরুণীর পরিবারের হাতে প্রহৃত প্রেমিক

গোলমাল থামাতে বিয়ের আসরে হাজির হয় পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২, ১৬:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২, ১৬:৫২

options
link
বরের হাত থেকে মঙ্গলসূত্র ছিনিয়ে বউ চুরির চেষ্টা! তরুণীর পরিবারের হাতে প্রহৃত প্রেমিক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সফল হল না বউ চুরির চেষ্টা! উলটে তরুণীর পরিবারের সদস্যদের হাতে মার খেলেন প্রেমিক যুবক। চুরি করে বিয়ে করার ধান্দায় ছিলেন তিনি। সেই মতো পুরোহিতের হাত থেকে ‘মঙ্গলসূত্র’ (Mangalsutra) ছিনিয়ে তরুণীকে পরানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু ব্যর্থ হন। ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে চেন্নাই (Chennai) শহরে।

শুক্রবার ঘটনাটি চেন্নাইয়ের তনডিয়ার্পেট এলাকার। পুলিশের বক্তব্য, সবকিছুই হয় তরুণীর সম্মতিতে। বউ চুরিতে অভিযুক্ত যুবক ও বিয়ের পিড়িতে বসা তরুণী এক জায়গায় চাকরি করেন। প্রেমে পড়েন তাঁরা। কিন্তু মেয়ের বাড়ির পছন্দ হয়নি সহকর্মীকে। তাঁরা এই সম্পর্ক মানেননি। উলটে তরুণীর অন্যত্র বিয়ে ঠিক করেন তাঁরা। সেই বিয়েতেই বাধল জবর গোলমাল। ঠিক কী ঘটেছিল?

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘মোদির বিরুদ্ধে মুখ না খুললে আমাকেই উপরাষ্ট্রপতি করা হত’, ফের বিস্ফোরক মেঘালয়ের রাজ্যপাল]

অভিযোগ, মণ্ডপে ঢুকে ‘মঙ্গলসূত্র’ ছিনিয়ে নেন ২৪ বছর বয়সি প্রেমিক। তার পর সেই মঙ্গলসূত্র পরিয়ে দিতে চেষ্টা করেন কনের গলায়। উল্লেখ্য, উত্তর ভারতে যা মঙ্গলসূত্র, দক্ষিণ ভারতে প্রায় একই ধরনের হারকে বলা হয় ‘থালি’ (Thali)। ঘটনার দিন পুরোহিত যখন বরের দিকে থালি এগিয়ে দেন। সেই সময়ই আত্মীয়-পরিচিতদের মধ্যে লুকিয়ে থাকা যুবক থালি ছিনিয়ে নেন। এবং তরুণীকে পরানোর চেষ্টা করেন। যদিও সেই কাজ করার আগেই ধরা পড়ে যান তিনি। ধরা পড়ার পর তরুণীর পরিবারের লোকরা যুবককে মারধর করে বলেও অভিয়োগ।

[আরও পড়ুন: দিল্লি সরকারের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ উপরাজ্যপালের, বিপাকে আপ]

এদিকে এই কাণ্ডে প্রকাশ্যে চলে আসে কনের প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি। ফলে বচসায় জড়িয়ে পড়েন বর ও কনে পক্ষ। অবস্থা এমন হয় যে পুলিশ ডাকতে হয় বিয়ের মণ্ডপে। শেষ পর্যন্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। তবে কারও নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়নি বলেই জানা গিয়েছে।

বিয়ের আসরে আজব কাণ্ডের কমতি নেই। ক’দিন আগে একটি ঘটনায় পঞ্চমবার বিয়ে করতে গিয়ে ঝামেলায় পড়েন এক ব্যক্তি। সাধের বিয়ের আয়োজন ভেস্তে যায়। আসলে শফি আহমেদ নামের ওই ব্যক্তির পঞ্চম বিয়ের আসরে অতিথি সেজে হাজির হয়েছিল তাঁরই সাত সন্তান। তারাই বাবার বিয়ে আটকে দেন।স্বভাবতই এই ঘটনায় বিস্তর গোলমাল হয়। সন্তানদের অভিযোগের ভিত্তিতে বাবাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.