Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Kunal Ghosh

‘মুখে বলে প্রমাণ করতে হল তিনি পুরুষ’, ‘আলুভাতে’র পর শুভেন্দুকে নয়া কটাক্ষ কুণালের

অযোগ্য বিজেপি নেতৃত্বের মধ্যে কোনও সমন্বয় নেই, দাবি শুভেন্দুর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২২, ১৮:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২২, ১৮:৪৮

options
link
‘মুখে বলে প্রমাণ করতে হল তিনি পুরুষ’, ‘আলুভাতে’র পর শুভেন্দুকে নয়া কটাক্ষ কুণালের zoom

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: নবান্ন অভিযান শুরুর আগেই পুলিশের হাতে ধরা দেওয়া! সেই সঙ্গে মহিলা পুলিশ কর্মীদের উদ্দেশে মন্তব্য, ‘ডোন্ট টাচ মাই বডি। আই অ্যাম মেল, উ আর ফিমেল।’ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) নবান্ন অভিযানের আগেই একপ্রকার ‘আত্মসমর্পণ’ করে দেন। শুরুতেই পুলিশের হাতে ধরা দেওয়ায় বিজেপির বহু প্রতীক্ষিত কর্মসূচিতে কার্যত সেভাবে দেখাই মেলেনি শুভেন্দুর। আর বিরোধী দলনেতার এই ভূমিকাই যেন বাড়তি রসদ দিয়ে দিল শাসকদল তৃণমূলকে। এদিন সকাল থেকেই শুভেন্দুর উদ্দেশ্যে একের পর এক কটাক্ষ আসা শুরু করে তৃণমূল শিবির থেকে। আর সেগুলির নেপথ্যে ছিলেন কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)।

গ্রেপ্তারির পরই তৃণমূল (TMC) মুখপাত্র শুভেন্দুকে ‘আলুভাতে বিরোধী দলনেতা’ বলে কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, ‘বিরোধী দলনেতা আলুভাতে। হাঁটতে হাঁটতে গিয়ে আত্মসমর্পণ করল। পুলিশকে (Kolkata Police) সামান্যতম বাঁধা পর্যন্ত দিল না।’ পরে কটাক্ষের সুর আরও চড়ান কুণাল। এবার একেবারে ব্যক্তিগত স্তরে গিয়ে আক্রমণ করেন শুভেন্দুকে। বিখ্যাত বাংলা ছবি সপ্তপদীর প্রসঙ্গ টেনে এনে তৃণমূল মুখপাত্র বলেন,”এ যেন সপ্তপদী রিভিজিটেড। আজ শুভেন্দুকে মুখে বলে প্রমাণ করতে হল তিনি পুরুষ। সেদিন রিনা ব্রাউন বলেছিলেন, আমায় টাচ করবে না। আর আজ বিরোধী দলনেতা বললেন, ডোন্ট টাচ মাই বডি। আই অ্যাম মেল উ আর ফিমেল।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: শান্তিপূর্ণ মিছিলে বাঁশ-ইট-লাঠি নিয়ে হাজির BJP কর্মীরা, জলকামানে প্রতিরোধ পুলিশের]

কুণালের কটাক্ষ,”রাজ্যের বিরোধী দলনেতার দিকে যতগুলি ক্যামেরা তাক করা ছিল, তত মিনিটও পুলিশের সামনে দাঁড়াতে পারল না। পুলিশের সামনে দাড়িয়ে থাকার নার্ভ ওর নেই। এত বড় বিনোদন। দেখে হাসি পাচ্ছিল। আমরা ভাবছিলাম ওটা ট্রেলার। নিচে লেখা দেখলাম ওটাই দি এন্ড।” তৃণমূল মুখপাত্রের সাফ কথা, ‘বিজেপির এই নেতৃত্ব অযোগ্য, অপদার্থ। কর্মীদের গুন্ডামি করার জন্য ছেড়ে দিয়েছিলেন। নেতারা কোথায়। কর্মীদের সামনে এগিয়ে দিয়ে নিজেরা পালিয়ে গেছেন। পুজোয় জুতোর দোকানে এর থেকে বেশি ভিড় হয়।’ বিজেপির অভিযানে পুলিশের ভূমিকারও ভুয়সী প্রশংসা করেছেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক, ‘এটা কোনও আন্দোলন না, এটা ছিল গুন্ডামি। বিজেপির (BJP) কিছু ভিড় যতক্ষণ না পাথর ছুঁড়েছে ততক্ষণ কিছু করেনি পুলিশ। এই পুলিশ তো ট্রিগার হ্যাপি পুলিশ নয়। যদি পাথর আসে, বোমা আসে তবে পুলিশ কী করবে।’

[আরও পড়ুন: নবান্ন অভিযান: মাঠে নামার আগেই ‘বোল্ড’ শুভেন্দু, দিলীপের দৌড় হাওড়া ব্রিজ! প্রতিরোধে শুধু সুকান্ত]

তৃণমূল মুখপাত্রর দাবি, বিজেপির শীর্ষ নেতাদের মধ্যে যে কোনও সমন্বয় নেই, সেটা এদিনের নবান্ন অভিযানেই প্রমাণিত। কুণাল ঘোষ বলেন, ‘এই নেতৃত্ব অযোগ্য। এদের সংগঠন করার ক্ষমতা নেই। দিলীপবাবু বলছেন, মিছিল শেষ। সুকান্ত বলছেন, শেষ নয় আলাদা আলাদা মিছিল। এরা আসলে টুকরে টুকরে গ্যাং।’

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.