Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Centre spending

রাজস্ব ঘাটতির গুঁতো, বাজেটের তুলনায় খরচে কাটছাঁট করছে কেন্দ্র, চাপ একাধিক ক্ষেত্রে

২ বছর বাদে বাজেটে কাটছাঁটের সিদ্ধান্ত মোদি সরকারের!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১০, ২০২২, ১১:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১০, ২০২২, ১১:০৭

options
link
রাজস্ব ঘাটতির গুঁতো, বাজেটের তুলনায় খরচে কাটছাঁট করছে কেন্দ্র, চাপ একাধিক ক্ষেত্রে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজস্ব ঘাটতির (Fiscal Deficit) গুঁতোয় অবশেষে নড়েচড়ে বসল কেন্দ্র। সূত্রের খবর, তিন বছর বাদে প্রথমবার অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাবিত বাজেটে কাটছাঁট করতে চলেছে কেন্দ্রের বিজেপি (BJP) সরকার। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের এক সূত্র বলছে, চলতি অর্থবর্ষে সরকারের রাজস্ব ঘাটতির পরিমাণ ঐতিহাসিকভাবে ৬-৭ শতাংশেরও বেশি হতে চলেছে। সেটা যাতে আরও বেশি না হয়ে যায়, তা নিশ্চিত করতে বাজেটেও অনেকটা কাটছাঁট করা হতে পারে।

বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে সরকারের মোট ৩৯.৪৫ লক্ষ কোটি টাকা বিভিন্ন খাতে ব্যয় করার কথা। কিন্তু রাজস্ব ঘাটতি মেটাতে সেই খরচের পরিমাণ ৪-৫ শতাংশ কমাতে চাইছে সরকার। সূত্র বলছে, চলতি বছর অন্তত ৭০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দের থেকে কম খরচ করা হবে। বছরের শুরুতে কেন্দ্রের টার্গেট ছিল রাজস্ব ঘাটতির পরিমাণ ৬.৪ শতাংশে আটকে রাখা। সেই টার্গেট পূরণ করতেই এতটা খরচ কমানো হচ্ছে। তবে কোন কোন খাতে খরচ কমবে সেটা এখনও স্পষ্ট নয়।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: টিভিতে রোজ আধ ঘণ্টা ‘জাতীয়তাবাদী’ অনুষ্ঠান দেখানো বাধ্যতামূলক, নয়া গাইডলাইন কেন্দ্রের]

আসলে, বছরের শুরুতে কেন্দ্র যে টার্গেট নিয়েছিল, সে তুলনায় কর আদায়ের পরিমাণ অনেকটাই কমতে চলেছে। বিশ্বের বাজারে মন্দা এবং পেট্রোপণ্যের দামবৃদ্ধি (Petrol Price) সেটার অন্যতম কারণ। পেট্রোপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় শুল্ক কমাতে হয়েছে কেন্দ্রকে। সেখানে রোজগার অনেকটা কমেছে। অবশ্য পেট্রোপণ্যে শুল্ক কমলেও সব মিলিয়ে গতবছরের তুলনায় সরকারের আয় খানিকটা হলেও বাড়ছে। তবে সেই বর্ধিত আয়ও রাজস্ব ঘাটতি সামাল দেওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়। তার অন্যতম একটি কারণ হল, খাদ্য এবং কৃষিক্ষেত্রে সরকারকে অতিরিক্ত দেড় লক্ষ থেকে ১.৮ লক্ষ কোটি টাকা ভরতুকি দিতে হচ্ছে। ভরতুকির পরিমাণ আরও একাধিক ক্ষেত্রে বাড়ছে। যার ফলে পরিকাঠামো খাতে খরচ কমাতে হচ্ছে সরকারকে।

[আরও পড়ুন: ৩২ সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান পদে ‘ব্রাত্য’ TMC, কেন্দ্রের বিরুদ্ধে দ্বিচারিতার অভিযোগ]

বস্তুত, করোনার আগে থেকেই দেশের অর্থনীতি বেলাইন। মহামারীর পর সেই বেলাইন অর্থনীতিকে সরকার এখনও লাইনে ফেরাতে পারেনি। তার উপরে আবার বিশ্বজুড়ে মন্দার হাওয়া বইছে। তাই সরকার আগেভাগে সাবধান হওয়ার চেষ্টা করছে। যদিও সরকার অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতির পুরো দায় ঠেলছে করোনার উপরই। খোদ প্রধানমন্ত্রীকে বলতে শোনা গিয়েছে, করোনার মতো মহামারীর ধাক্কা মাত্র ১০০ দিনে সামাল দেওয়া সম্ভব নয়।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.