সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জেলের গেট ভেঙে হুড়মুড়িয়ে ঢুকে পড়ল অস্ত্রবোঝাই গাড়ি। তারপর নির্বিচার গুলিবর্ষণ। টেক্সাস সীমান্ত লাগোয়া মেক্সিকোর (Mexico) কারাগারে হামলায় অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হল। এর মধ্যে ১০ জনই নিরাপত্তা রক্ষী। ৪ জন বন্দি। আর কারাগারে হামলার (Attack into jail) সুযোগে কমপক্ষে ২৪ জন বন্দি পালিয়ে গিয়েছে। রবিবার টেক্সাস-মেক্সিকো সীমান্তের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকার কারাগারে এত বড় হামলার ঘটনায় নিরাপত্তা কয়েকগুণ বাড়ানো হয়েছে। এই মুহূর্তে পুলিশ ও মেক্সিকোর সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। এলাকায় সতর্কতা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
10 security guards, 4 inmates killed in attack on Mexican border prison
AdvertisementRead @ANI Story | https://t.co/cpcz7hbCXM#Mexico #MexicanBorder pic.twitter.com/CbzhL6XUyh
— ANI Digital (@ani_digital) January 2, 2023
টেক্সাসের এল পাসো সীমান্তের কাছেই মেক্সিকোর সিউদাদ জুয়ারেজ এলাকা। সেখানকার কারাগার বরাবরই অত্যন্ত স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত। এর আগে বহুবার এই একই কারাগারে সংঘর্ষ, হামলার ঘটনা ঘটেছে। নতুন বছরের প্রথম দিনেই সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। চিহুয়াহুয়া প্রশাসন সূত্রে খবর, রবিবার সকালের দিকে একটি অস্ত্রবোঝাই গাড়ি গেটের সামনে এসে দাঁড়ায়। তারপর সেখান থেকে মুহুর্মুহু গুলিবর্ষণ করতে থাকে বন্দুকবাজ। তাতে ১০ জন নিরাপত্তারক্ষী ও চার বন্দির মৃত্যু হয়। জখম হন অন্তত ১৩ জন। তাঁদের হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
[আরও পড়ুন: বছরের শুরুতেই জোড়া জঙ্গি হামলায় রক্তাক্ত কাশ্মীর, প্রাণ হারালেন ৪ হিন্দু নাগরিক]
স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন সূত্রে জানা যাচ্ছে, রবিবার কারাগারে হামলার আগে সেখানকার পুলিশের উপর হামলার চেষ্টা চলে। একটি এসইউভি গাড়ি চড়ে এসেছিল হামলাকারীরা। কিন্তু পুলিশ তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলায় সেই ছক বানচাল হয়ে যায়। এরপরই তারা জেলের সামনে হামলা চালায়। তাতেই এতজনের মৃত্যু হল। কারাগারে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি। জানা গিয়েছে, সিউদাদ জুয়ারেজের এই কারাগারে মূলত ড্রাগ পাচারচক্রের সঙ্গে জড়িতরাই বন্দি থাকে। ফলে তাদের মুক্ত করার জন্য প্রায়শয়ই চাপ আছে ড্রাগ মাফিয়াদের তরফে।
[আরও পড়ুন: রাতেই ‘সূর্যোদয়’! তৃণমূলের প্রয়াসে স্বাধীনতার ৭৫ বছর পর বিদ্যুৎ পেল হলদিয়ার ২টি গ্রাম]
এর আগে আগস্ট মাসে বড়সড় হামলা চলেছিল এই কারাগারে। মেক্সিকো-আমেরিকা সীমান্ত লাগোয়া জেলগুলিতে হামলা, অশান্তি, সংঘর্ষ প্রায় স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই ঘটনাও সেই তালিকায় যুক্ত হল।