অর্ণব আইচ: জোয়ারের সময় নদীর খুব কাছ থেকে সেলফি তোলা নিঃসন্দেহে অ্যাডভেঞ্চার। আর তার টানে বন্ধুদের মতো নিরাপদ দূরত্ব থেকে নয়, নদীতীরে রাখা স্ল্যাবের উপর উঠে একটার পর একটা সেলফি (Selfie) তুলছিল উত্তর কলকাতার এক কলেজ ছাত্র। শুধু তাই নয়, নিজের জায়গা বারবার পরিবর্তন করে ছবি তুলছিল। আর তাতেই বিপদ ঘনিয়ে এল। স্রোতের প্রবল টানে গঙ্গায় তলিয়ে গেল ১৮ বছরের সদ্য যুবক। বাগবাজার (Bagbazar) পাম্পিং স্টেশন এলাকায় গঙ্গার ধারে এই দুর্ঘটনার পর যুবকের সন্ধানে জোরদার তল্লাশি চালাচ্ছে ডুবুরির দল। চিন্তিত পরিবার। নেমেছে বিপর্যয় মোকাবিলা দলও (DMG)।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গঙ্গায় তলিয়ে যাওয়া যুবকের নাম শেখ সইদ, বয়স ১৮ বছর। মণীন্দ্রচন্দ্র কলেজের কলা বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র। সইদের বাড়ি টালার কাছে শ্রীশচন্দ্র চৌধুরী লেনে। শুক্রবার বিকেলে বন্ধুদের নিয়ে সে গিয়েছিল বাগবাজার পাম্পিং স্টেশনের কাছে গঙ্গার ধারে। সেখানে বন্ধুরা গঙ্গা থেকে নিরাপদ দূরত্বে ছবি তুললেও সইদ তীরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। তীরে যে স্ল্যাবগুলি দেওয়া ছিল, তাতে উঠে সে সেলফি তোলে। শুধু তাই নয়, বন্ধুরা জানাচ্ছে, সে একটি স্ল্যাব থেকে আরেকটি স্ল্যাবে লাফিয়ে লাফিয়ে যাচ্ছিল।
[আরও পড়ুন: দুয়ারে সরকারে ভয়? কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা বোঝাতে গ্রামে গ্রামে পালটা শিবির করবে বিজেপি]
এমনই সময় জোয়ার আসে। আর জোয়ারের সময় স্ল্যাবগুলি ডুবে যায়। তড়িঘড়ি সেখান থেকে নেমে আসতে পারেনি সইদ। আর স্রোতের জলে ডুবে নদীতে তলিয়ে যায়। রাত অবদি ছেলে বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন পুলিশের দ্বারস্থ হয়। নর্থ পোর্ট (North Port) থানার পুলিশ তদন্তে নামে। সইদের বাবা পেশায় বাসচালক। ছেলে এভাবে নিখোঁজ হয়ে যাওয়ায় খানিকটা দিশেহারা তিনি। সইদের খোঁজে গঙ্গায় (River Ganga) ডুবুরি নামিয়ে তল্লাশি শুরু হয়েছে। কাজে নেমেছে বিপর্যয় মোকাবিলা দলও। কিন্তু এখনও তার খোঁজ মেলেনি। ফলে টেনশন বাড়ছে পরিবারের।
[আরও পড়ুন: ‘এবার হবে আসল খেলা’, মেঘালয় বিধানসভা নির্বাচনের সুর বেঁধে দিল তৃণমূল]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন