Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৭ জুলাই ২০২৬

প্রায় ২০ ঘণ্টা পর উদ্ধার সাঁতারু কাজল দত্তের দেহ

দেহ আটকে ছিল ঢালাইয়ের কাঠে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০১৭, ০৩:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০১৭, ০৩:৩৪

options
link
প্রায় ২০ ঘণ্টা পর উদ্ধার সাঁতারু কাজল দত্তের দেহ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নিখোঁজ হওয়ার ২০ ঘণ্টা পর উদ্ধার হল সাঁতারু কাজল দত্তের দেহ। পাম্প দিয়ে কলেজ স্কোয়্যারের সুইমিং পুলের জল কমিয়ে ফেলার পর ভোর তিনটে নাগাদ পুলের মধ্যে একটি শেডের তলায় খোঁজ মিলল কাজলবাবুর দেহের। শেডের ঢালাইয়ের কাঠের কাঠামোয় আটকে ছিল তাঁর দেহ। দড়ি দিয়ে বেঁধে দেহ উদ্ধার করেন বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা।

যে জল ছিল তাঁর জীবন। আজীবন যেখানে সাঁতার কেটেছেন। সাঁতার শিখিয়েছেন। আবার কেউ তলিয়ে গেলে প্রাণও বাঁচিয়েছেন। কলেজ স্কোয়্যারের সেই পুলেই মৃত্যু হল বৌবাজার ব্যায়াম সমিতির সুইমিং ক্লাবের ৬৭ বছরের সদস্যের। কলেজ স্কোয়্যারের ক্লাবের কর্মীরা জানিয়েছেন, রোজ সকালে ৬টা নাগাদ ক্লাবে চলে আসতেন কাজলবাবু। আধ ঘণ্টা শরীর চর্চা করে সাঁতার কাটতে নামতেন। প্রতিদিনের মতো শুক্রবার ৭টা নাগাদ জলে নামেন তিনি। তারপর থেকেই তাঁর আর কোনও খোঁজ মেলেনি। দীর্ঘক্ষণ তাঁকে না দেখতে পেয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন ক্লাবের কর্মচারীরা। অনেকেই জানান, কাজলবাবুকে জলে নামতে দেখা গিয়েছে কিন্তু উঠতে দেখা যায়নি। এরপরই কাজলবাবুর পরিবারকে খবর দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে আসে আমহার্স্ট স্ট্রিট থানার পুলিশ। আসে বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের টিম। শুরু হয় তল্লাশি অভিযান।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[চোর অপবাদে রাস্তাতেই জামা খুলিয়ে তল্লাশি, অপমানে আত্মঘাতী কিশোরী]

কিন্তু রাত নামলেও হদিশ মেলেনি জাতীয় স্তরের সাঁতারুর। শেষে পাম্প দিয়ে পুলের জল কমানো হয়। এরপরই দেখা যায় পুলের একটি শেডের তলায় ঢালাইয়ের কাঠামোয় ফেঁসে রয়েছে কাজল দত্তের দেহ। প্রথমে তাঁর একটি হাত দেখতে পাওয়া যায়। তা দেখেই ডুবুরিরা জলে নেমে দড়ি দিয়ে বেঁধে মৃতদেহ উদ্ধার করেন।

কিন্তু একজন প্রশিক্ষিত সাঁতারুর কেমন করে জলে ডুবে মৃত্যু হতে পারে? প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, জলের তলায় ওই ঢালাইয়ের কাঠে কোনওভাবে আটকে যান কাজলবাবু। সেখান থেকে বের হওয়ার অনেক চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু পারেননি। তাঁর পিঠে বেশ কিছু ক্ষতচিহ্ন দেখা গিয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ঢালাইয়ের কাঠে লাগানো পেরেক থেকেই এই আঘাত লেগেছে। এরপরই উঠেছে প্রশ্ন? যে কলেজ স্কোয়্যারে এত মানুষ সাঁতার শিখতে আসে। আসে ছোট ছোট শিশুরাও। সেই পুলের জলের নিচে এমন বিপজ্জনক ঢালাই থাকে কেমন করে? যে কাঠের কাঠামো কাজলবাবুর মতো প্রশিক্ষিত সাঁতারু ও লাইফ সেভারের প্রাণ কেড়ে নিতে পারে, তা ছোট ছোট শিশুদের কী অবস্থা করতে পারত?  প্রশ্নের সদুত্তর পুলের দায়িত্বে থাকা ক্লাব কর্তৃপক্ষই দিতে পারবে বলে মনে করছেন বৌবাজার ব্যায়াম সমিতির সুইমিং ক্লাবের সদস্যরা।

[ডোকলামে আরও সেনা পাঠাল ভারত, তবে কি যুদ্ধ আসন্ন?]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.