Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬

হামলার জন্য তৈরি মার্কিন সেনা, কিমকে চরম হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

গুয়ামে মিসাইল হামলা চালানোর হুমকি কিমের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০১৭, ০৯:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০১৭, ০৯:০৪

options
link
হামলার জন্য তৈরি মার্কিন সেনা, কিমকে চরম হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘লকড অ্যান্ড লোডেড’। মাত্র তিনটি শব্দ। তাও আবার মার্কিন প্রেসিডেন্টের মুখে। যেকোনও দেশের শিরদাঁড়া বেয়ে হিমস্রোত নামার পক্ষে যথেষ্ট৷ এভাবেই একনায়ক কিম জং উনের উত্তর কোরিয়াকে চরম হুঁশিয়ারি দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। একগুঁয়ে কিমকে শিক্ষা দিতে ‘লকড অ্যান্ড লোডেড’ বা হামলা চালাতে তৈরি মার্কিন সেনা। নিজেকে শুধরে না নিলে ভয়াবহ পরিণতি হবে কমিউনিস্ট দেশটির। এভাবেই চরম হুমকি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

[ডোকলাম ভুটানেরই, দখলদার চিনকে কড়া বার্তা থিম্পুর]

পারমাণবিক অস্ত্র নির্মাণকে ভিত্তি করে চরমে পৌঁছেছে পিয়ংইয়ং-ওয়াশিংটন দ্বৈরথ  দ্বৈরথ। হুমকি পালটা হুমকি আসছে দু’দিক থেকেই। এমনই পরিস্থিতিতে শুক্রবার একটি টুইট করেন ট্রাম্প। কিমকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, “উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত আমেরিকা। তবে আশা করছি নিজেকে শুধরে বিকল্প পথের দিকেই হাটবেন কিম।” যাই হোক না কেন, আমেরিকার হুঁশিয়ারিকে মোটেই আমল দিচ্ছে না পিয়ংইয়ং। এমনকি আমেরিকার বিরুদ্ধে পরমাণু হামলা চালানোর হুমকিও দিয়েছে কমিউনিস্ট দেশটি। সদ্য শক্তি প্রসর্শন করতে গুয়ামের আশেপাশে চারটি ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোড়ার কথা ঘোষণা করেছে উত্তর কোরিয়া। ওই মিসাইলগুলি পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম। উল্লেখ্য, গুয়ামে তয়েছে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি। প্রায় ৮ হাজার মার্কিন সেনা, যুদ্ধবিমান ও রণতরী রয়েছে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপটিতে। মার্কিন মূল ভূখণ্ডের অংশ না হলেও গুয়ামের শাসনভার রয়েছে আমেরিকার হাতেই। কয়েকদিন আগেই সেখানে হামলা চালানোর হুমকি দেন কিম। পালটা হুঁশিয়ারি দিয়ে ট্রাম্প বলেন, গুয়ামে হামলা হলে ভয়ানক ফল ভোগ করতে হবে ওই দেশকে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

[নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে হোয়াইট হাউসের আকাশে রুশ নজরদারি বিমান]

একের পর এক পরমাণু মিসাইল উৎক্ষেপণ করে আমেরিকা-সহ একাধিক দেশের বিরাগভাজন হয়েছেন কিম। প্রকাশ্যে সমর্থন করলেও ওই যুদ্ধবাজ রাষ্ট্রনায়কের একগুঁয়েমিতে কিছুটা ক্ষুব্ধ বিশ্বস্ত বন্ধু চিনও। এমনই পরিস্থিতিতে গত সোমবার ফের পারদ চড়িয়ে আমেরিকাকে ছারখার করে দেওয়ার হুঙ্কার দেয় উত্তর কোরিয়া। তাই দক্ষিণ কোরিয়ার সুরক্ষার জন্য ওই দেশে ‘মিসাইল শিল্ড’ স্থাপন করেছে আমেরিকা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.