Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Terrorist Attacks

‘জঙ্গিদের পুষলে এই পরিণতিই হয়’, করাচিতে তালিবানি হামলা নিয়ে পাকিস্তানকে তোপ প্রসাদের

প্রায় চার ঘণ্টা ধরে লড়াই চলার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৩, ১০:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৩, ১০:৫২

options
link
‘জঙ্গিদের পুষলে এই পরিণতিই হয়’, করাচিতে তালিবানি হামলা নিয়ে পাকিস্তানকে তোপ প্রসাদের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শুক্রবার করাচিতে পাকিস্তানি তালিবানি হামলা নিয়ে সে দেশের সরকারকে একহাত নিলেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার ভেঙ্কটেশ প্রসাদ। গোপনে জঙ্গিদের মদত দেওয়ার অভিযোগ বারবার উঠেছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। এবার সেই প্রসঙ্গ টেনেই শাহবাজ সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন প্রসাদ। বলে দিলেন, জঙ্গি পুষলে এই পরিণতিই হয়।

শুক্রবার পুলিশের সদর দপ্তরে পুলিশ ও জঙ্গিদের গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয় অন্তত সাতজনের বলে পিটিআই সূত্রে খবর। পাকিস্তানি তালিবান জঙ্গি গোষ্ঠী তথা তেহরিক-ই-তালিবান এই হামলার দায় স্বীকার করে নিয়েছে। করাচি পুলিশ দাবি করে, এই হামলা রুখতে শক্ত হাতে লড়াই চালিয়েছে সেনা বাহিনী। প্রায় চার ঘণ্টা ধরে লড়াই চলার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। সিন্ধ প্রদেশের মুখপাত্র মুর্তাজা ওয়াহাব পরে টুইট করে জানান, তিন জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়েছে। বিল্ডিংয়ের ভিতর আর কোনও জঙ্গি লুকিয়ে নেই। তবে গোটা ঘটনায় দুই পুলিশ আধিকারিক-সহ চারজন প্রাণ হারান। গুরুতর আহত হন অন্তত ১৪ জন পুলিশ কর্মী।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: অজি শিবিরে বড় ধাক্কা, শামির বলে মাথায় চোট পেয়ে ছিটকে গেলেন ওয়ার্নার]

গোটা বিষয়টির জন্য পাক সরকারকেই দুষছেন প্রাক্তন ভারতীয় পেসার প্রসাদ (Venkatesh Prasad)। তাঁর দাবি, নিজেদের দোষেই এধরনের ঘটনা থেকে কোনওদিনই বেরিয়ে আসতে পারবে না পাকিস্তান। টুইটারে তিনি লেখেন, “জঙ্গিদের পুষলে এই পরিণতিই হয়। তবে সেই সমস্ত মানুষগুলোর জন্য খারাপ লাগছে যারা অসহায় ভাবে প্রাণ হারালেন। এর জন্য দায়ী সে দেশের সরকারই। কারণ সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে তারা রুখে দাঁড়ায় না।”

উল্লেখ্য, এই ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে পাক প্রশাসন। কারণ করাচি পুলিশের ওই সদর দপ্তর এলাকায় রয়েছে পুলিশের কোয়ার্টারও। সেখানে বহু উচ্চপদস্থ অফিসার পরিবার-সহ বাস করেন। এমন এক হাই প্রোফাইল এলাকা, যেখানে নিরাপত্তার বেষ্টনী বরাবরই মজবুত, সেখানে এমন হামলা নিঃসন্দেহে আশঙ্কাজনক।

[আরও পড়ুন: দিল্লি হত্যাকাণ্ড: লিভ ইন সঙ্গীকে গোপনে বিয়ে সাহিলের, ‘খুনি’ স্বামীর কাছে ফিরতে নারাজ স্ত্রী]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.