Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
Dinesh Karthick

নিদাহাস ট্রফির ফাইনালে বাংলাদেশকে উড়িয়েছিলেন ছক্কায়, কার্তিক জানালেন সাজঘরের গোপন কথা

কার্তিক অসম্ভবকে সম্ভব করেছিলেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৪, ২০২৩, ১৮:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৪, ২০২৩, ১৮:০০

options
link
নিদাহাস ট্রফির ফাইনালে বাংলাদেশকে উড়িয়েছিলেন ছক্কায়, কার্তিক জানালেন সাজঘরের গোপন কথা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে নিদাহাস ট্রফির ফাইনালে দীনেশ কার্তিকের মারকুটে ব্যাটিং এখনও ক্রিকেটপাগলদের স্মৃতিতে টাটকা। প্রায় হাতের বাইরে বেরিয়ে যাওয়া ম্যাচ দীনেশ কার্তিক একাই জিতিয়ে দেন। 

কার্তিকের মারকুটে ব্যাটিংয়ের জন্যই ভারত হারিয়েছিল বাংলাদেশকে। কিন্তু সেই ম্যাচে ভারতের ইনিংসের দ্বিতীয় ওভার থেকে প্যাড পরে বসেছিলেন কার্তিক। এই গল্প অনেকেই জানেন না।  কার্তিককে প্যাড পরে অপেক্ষা করতে হয়েছিল দীর্ঘক্ষণ। যখনই তিনি ব্যাট করার জন্য অগ্রসর হচ্ছিলেন, দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মা প্রতিবারই তাঁকে থামাচ্ছিলেন।  কার্তিককে রেখে দিয়েছিলেন শেষের ওভারগুলোর জন্য। কারণ রোহিত অনুমান করেছিলেন শেষের দিকে কার্তিকের অভিজ্ঞতা কাজে লাগতে পারে। তাঁর মারকুটে ব্যাটিং ভারতকে ম্যাচ জেতাতে পারে। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘বন্ধু তোমাকে মিস করি’, ওয়ার্নের মৃত্যুবার্ষিকীতে আবেগঘন পোস্ট শচীনের]

বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে করে আট উইকেটে ১৬৬ রান। দ্বিতীয় ওভার থেকে প্যাড পরে ব্যাট করতে নামার জন্য তৈরি ছিলেন কার্তিক। ১৮তম ওভার পর্যন্ত বসে থাকতে হয়েছিল তাঁকে। মণীষ পাণ্ডে আউট হওয়ায় ভারতের জেতার জন্য সমীকরণ ছিল ২ ওভারে ৩৪ রান। সেই সময়ে ব্যাট হাতে নামেন কার্তিক। বর্ষীয়ান উইকেটকিপার বলেন, ”খেলার প্রথমার্ধ ঠিকই ছিল। আমাদের বোলাররা দারুণ বোলিং করে। দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ আমাদের থেকে এগিয়েছিল। ওরা প্রাধান্য দেখাচ্ছিল। একটা সময় এসেছিল যখন ২ ওভারে জেতার জন্য ভারতের দরকার ছিল ৩৪ রান। আমি দ্বিতীয় বা তৃতীয় ওভার থেকে প্যাড পরে বসেছিলাম। উইকেট পড়ার পরে আমি নামতে যাচ্ছিলাম, তখন রোহিত বলে এখনই নয়। ১৫তম ওভারে একটি উইকেট যাওয়ার পরে আমি নিশ্চিত ছিলাম, এবার হয়তো ব্যাট করতে নামবো।”

রোহিত আবারও থামান কার্তিককে। তার পরে মণীষ পাণ্ডে ১৮তম ওভারে আউট হয়ে গেলে তখন কার্তিক ব্যাট হতে নেমে পড়েন। কার্তিক বলেন, ”১৮তম ওভারে মণীষ পাণ্ডে আউট হলে আমি ব্যাট করতে নামি। হাতে মাত্র দু’ ওভার। দরকার ৩৪ রান। এই পরিস্থিতিতে সবাই বেশি সংখ্যক বলই খেলতে চায়। আমি শুরু থেকেই আক্রমণের রাস্তা নিই। ভক্তরাও নাগিন নাচ শুরু করে দেয়। ম্যাচ আমরা জিতেছিলাম।” 

দ্বীপরাষ্ট্র থেকে ট্রফি নিয়ে দেশে ফিরেছিলেন রোহিতরা। সবাই দেখেছিলেন কার্তিকের মারমুখী ব্যাটিং। কিন্তু দ্বিতীয় ওভার থেকে ব্যাট করার জন্য যে তৈরি ছিলেন কার্তিক এবং রোহিত তাঁকে বারংবার থামান, সে গল্প অনেকেরই জানা ছিল না। কার্তিক খবরের ভিতরের গল্প জানান আরসিবি-র পডকাস্টে। আইপিএলে কার্তিকের বিস্ফোরণ অনেকেই দেখেছেন। রোহিত স্বয়ং জানতেন কার্তিকের ক্ষমতা। সেই কারণেই উপযুক্ত সময়ে ব্যাট করতে পাঠান কার্তিক। বাকিটা আজ ইতিহাস।  

[আরও পড়ুন: ‘ওকে এবার ভুলে যাও’, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য বুমরাহর বিকল্প বেছে নিলেন মদনলাল]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.