সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তান ক্রিকেট অদ্ভুত। সম্পূর্ণ ভিন্ন কারণে শিরোনামে আসে পাক ক্রিকেট। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (PCB) ম্যানেজমেন্টের পরিবর্তন হয়েছে। আর এর ফলে অনেকেই মনে করছেন পাকিস্তান ক্রিকেট একটা দারুণ উচ্চতায় পৌঁছবে। নাজাম শেঠির নেতৃত্বাধীন কমিটি নিয়েই এবার প্রশ্ন উঠেছে দেশের ক্রিকেটে। পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক ও উইকেটকিপার রশিদ লতিফ (Rashid Latif) পিসিবি-কে আক্রমণ করে বলেছেন, পাকিস্তান ক্রিকেট শান্তিতে ঘুমোক।
বাবর আজম, শাহিন শাহ আফ্রিদির মতো অভিজ্ঞ তারকা ক্রিকেটারদের ছাড়াই আফগানিস্তান সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করেছে পিসিবি। আর পাক বোর্ডের এহেন সিদ্ধান্তে চরম অখুশি রশিদ লতিফ। পিসিবি-র উপরে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি।
[আরও পড়ুন: কীসের ভিত্তিতে মাঝরাতে কৌস্তবের বাড়িতে? পুলিশের অতিসক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন হাই কোর্টের]
পিএসএল শেষ হয়ে গেলেই আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে পাকিস্তান। শাদাব খানকে পাক অধিনায়ক ঘোষণা করা হয়েছে। ১৫ সদস্যের দলও ঘোষণা করে দিয়েছে পিসিবি। রশিদ লতিফ বলছেন, ”আমাদের ক্রিকেটাররা আইসিসি ক্রমতালিকায় জায়গা করে নিচ্ছে। দীর্ঘদিন বাদে পুরস্কার জিতে নিচ্ছে। বাবর আজম ও শাহিন আফ্রিদি আইসিসি-র পুরস্কার জিতছে। পিসিবি-র ব্যাপারটা হজম হল না। ওরা বলল, আমরাই এবার থেকে সিদ্ধান্ত নেব। ৭০-৮০ বছর বয়সিরা এখন পাকিস্তান ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। এঁদের আরও আগে বিশ্রাম নেওয়া উচিত ছিল। অথচ বিশ্রাম না নিয়ে এঁরা কাজ করেই চলেছেন। এই অবস্থায় বলা যেতেই পারে রেস্ট ইন পিস পাকিস্তান টিম। আমাদের দল এখন চিরশান্তিতে ঘুমোচ্ছে।”
রশিদ লতিফ আরও বলছেন, ”নতুন খেলোয়াড় নেওয়া হলে দলের কম্বিনেশনও ভাঙা হয়। বেশ কিছু নতুন প্লেয়ারকে নেওয়া হয়েছে। ওরা আফগানিস্তান সিরিজে পারফর্মও করবে। যাদের স্ট্রাইক রেট কম, তাদের কি ফেরানো হবে? মিডিয়াও চাপ তৈরি করবে। পাকিস্তান টিমকে ধ্বংস করার এটাই প্রথম পদক্ষেপ।”
[আরও পড়ুন: আচমকা সৌরভের সঙ্গে সাক্ষাৎ যশ-নুসরতের! তুঙ্গে জল্পনা]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন