Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Katwa

কাটোয়ায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে বৃদ্ধার মৃত্যু, ‘ক্যানসারের যন্ত্রণায় গায়ে আগুন মায়ের’, দাবি ছেলের

ভোরের দিকে বৃদ্ধার অগ্নিদগ্ধ দেহ উদ্ধার হয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২৩, ১৯:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২৩, ১৯:৪১

options
link
কাটোয়ায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে বৃদ্ধার মৃত্যু, ‘ক্যানসারের যন্ত্রণায় গায়ে আগুন মায়ের’, দাবি ছেলের zoom
ছবি: প্রতীকী

ধীমান রায়, কাটোয়া: দীর্ঘদিন ধরেই ক্যানসারে ভুগছেন। সেই রোগ যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে ঘরে আগুন ধরিয়ে দিলেন এক যন্ত্রণাক্লিষ্ট মহিলা! শনিবার সকালে কাটোয়ার ঘোরানস গ্রামে বৃদ্ধার অগ্নিদগ্ধ দেহ উদ্ধারের পর এই খবর ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

অন্যান্য দিনের মতোই শুক্রবার রাতে শুতে গিয়েছিলেন রেখা রায়। বয়স ৬৮। কাটোয়া থানার ঘোড়ানাশ গ্রামের বাঘপাড়ায় তার বাড়ি। দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসারে ভুগছেন। শনিবার ভোরের দিকে তাঁর অগ্নিদগ্ধ দেহ উদ্ধার হয়। এদিন ভোরে তাঁর ছেলে আশিস রায় মায়ের দগ্ধ দেহ দেখতে পায়। সঙ্গে সঙ্গে দেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। শনিবার কাটোয়া হাসপাতালে দেহটি ময়নাতদন্ত করানো হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘ঝালমুড়ি-চা খেতে চাইত…’, বন্ধু ইরফানের মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মৃতিকাতর সুজিত সরকার]

আশিস রায় জানান, তাঁর মা দীর্ঘদিন ক্যানসারে ভুগছিলেন। চিকিৎসাও চলছিল। মাঝেমধ্যেই ভীষণ কষ্ট ভোগ করতেন। আশিসবাবুর ধারণা রোগ যন্ত্রণার কারণেই তাঁর মা নিজেই গায়ে আগুন দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন। তবে কাটোয়া থানার পুলিশ একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

[আরও পড়ুন: মানহানির মামলায় শতরূপ-সেলিমদের সমন আদালতের, ‘মুরোদ থাকলে উপেক্ষা করুন’, চ্যালেঞ্জ কুণালের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.