Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৭ জুলাই ২০২৬

অসুরদলনের পর কোথায় ফিরে গেলেন মহামায়া, পুজোয় চেনাবে বেহালা ক্লাব

শিল্পী তন্ময় চক্রবর্তীর সৃজনে ফুটে উঠবে এই অভিনব পুজোমণ্ডপ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৯, ১৮:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৯, ১৮:১৫

options
link
অসুরদলনের পর কোথায় ফিরে গেলেন মহামায়া, পুজোয় চেনাবে বেহালা ক্লাব zoom

পুজো প্রায় এসেই গেল৷ পাড়ায় পাড়ায় পুজোর বাদ্যি বেজে গিয়েছে৷ সেরা পুজোর লড়াইয়ে এ বলে আমায় দেখ তো ও বলে আমায়৷ এমনই কিছু বাছাই করা সেরা পুজোর প্রস্তুতির সুলুকসন্ধান নিয়ে হাজির Sangbadpratidin.in৷ আজ পড়ুন বেহালা ক্লাবের পুজো প্রস্তুতি৷

শুভময় মণ্ডল: অশুভ শক্তির বিনাশ করে শুভ শক্তি স্থাপনে সৃষ্টি হয়েছিল মহামায়ার। কিন্তু দুষ্ট মহিষাসুর বধের পরের ঘটনা কী? দেবতাদের সকল শক্তি সংহত করে যে তিলোত্তমা মহাশক্তির জন্ম হয়েছিল, তা ফিরে যায় তুষারাবৃত গুহায়। কৈলাসে। তবে গুহায় ফিরে যাওয়ার আগে দেবী দুর্গা দেবতাদের জানিয়ে গেলেন, ধরিত্রীর শান্তি বিঘ্নিত হলে, অশান্তি-হানাহানি অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠলে তিনি বারবার ফিরে আসবেন রূদ্রাণী রূপে, অসুর সংহারে। দেবী অমরনাথ-জায়া রূপে নিদ্রিত হলেন কৈলাসের স্ফটিকগুহায়। তারপর কী হল? স্ফটিকগুহায় চিরতরে কি ধ্যানস্থ হলেন দেবী? নাকি পুনরায় হিংসা জর্জরিত পৃথিবীতে অশুভ শক্তির সংহারের জন্য তৈরি হতে লাগলেন দুর্গা? তা অন্তর্যামীই জানেন। তবে কেমন দেখতে সেই স্ফটিকগুহা, পুজোর তাই চেনাবে বেহালা ক্লাব। দেবী মহাশক্তির সেই নিদ্রাস্থলই এবার ফুটে উঠবে দক্ষিণের এই নামী পুজোর মণ্ডপসজ্জায়। থিমের পোশাকি নাম, শান্তির ভাব।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

20170902_191002

এবছর ৭৩তম বর্ষ এই পুজোর। শিল্পী তন্ময় চক্রবর্তীর সৃজনে ফুটে উঠবে এই অভিনব স্ফটিকগুহা। অভিনব কেন? কারণ, গোটা পুজোমণ্ডপটি একটি জ্যামিতিক নকশায় তৈরি। এক কাল্পনিক গুহা। যেখানে সপরিবারে বিরাজমান দেবী দুর্গা। অসুরদলনের পর শান্তির ভাব দেবীর। গোটা মণ্ডপকে স্ফটিকগুহার আদল দিতে প্রচুর জ্যামিতিক নকশার কাচ ব্যবহার করেছেন শিল্পী। এছাড়াও স্ফটিক তো রয়েইছে। মণ্ডপের কাঠামো লোহার তৈরি। প্রতিমাতেও রয়েছে বিশেষত্ব। প্রতিমার পরিকল্পনায় তন্ময় চক্রবর্তী ও রূপায়ণে শিল্পী পরিমল পাল। থিমের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আবহ সংগীত দিয়েছেন শিল্পী সৈকত দেব। তবে মণ্ডপসজ্জায় আলোর একটি বড় ভূমিকা রয়েছে আলোর। শিল্পী দীনেশ পোদ্দারের সৃজনে আলোকসজ্জায় অন্য মাত্রা পাবে এই কাল্পনিক স্ফটিকগুহা।

20170902_191037

গতবছর থিমমেকার রূপক বসুর সৃজনে মনের দুয়ার খুলেছিল বেহালা ক্লাব৷ থিমের নাম ছিল ‘হৃৎ দুয়ার’৷ এবার স্ফটিকসদৃশ তুষারগুহায় সমাহিত অনন্ত সম্মোহনে বিরাজমান হবেন দেবী ভগবতী। ওই নিঃশব্দ, নিরালোকিত গুহা থেকেই তিনি নিয়ন্ত্রণ করছেন গঙ্গাবতরণ, মহাভারতের শস্যশ্যামলা সভ্যতা।

কেমন চলছে পুজোর প্রস্তুতি, দেখুন ভিডিওয়-

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.