দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: ভাঙড়ে আইএসএফ নেতা খুনে এবার আরাবুল ইসলাম, তাঁর ছেলে হাকিমুল-সহ ২০ জনের বিরুদ্ধে দায়ের খুনের মামলা। অন্যদিকে মামলা দায়ের হয়েছে ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি-সহ একাধিক আইএসএফ নেতার বিরুদ্ধেও। যদিও আরাবুলের দাবি, ঘটনার সঙ্গে তাঁদের কোনও যোগ নেই।
মনোনয়ন পেশকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল ভাঙড়। পরিণত হয়েছিল বোমা-বারুদের স্তুপে। মুড়িমুড়কির মতো বোমা পড়েছে, চলেছে গুলি। একাধিক প্রাণহানি হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছে পুলিশ কর্মীরাও। পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে উঠেছিল যে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন খোদ রাজ্যপাল। সেই অশান্তির ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন আইএসএফ নেতা মহিউদ্দিন মোল্লা। গুলিতে প্রাণ গিয়েছে তাঁর। এই মৃত্যুর জন্য বিধায়ক তথা তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলাম, তাঁর ছেলে হাকিমুল-সহ ২০ জনের বিরুদ্ধে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন মৃতের বাবা। খুন, খুনের চেষ্টা ও অস্ত্র আইনে কাশীপুর থানায় মামলা করেছেন তিনি।
[আরও পড়ুন: প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করতে তৃণমূলকেই ‘চাপ’ গোঘাটে! হুমকি, মারধরে কাঠগড়ায় বিজেপি]
তবে শুধু তিনি নয়, মৃত রাজু নস্কর, যিনি তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত তাঁর পরিবারের তরফেও মামলা দায়ের করা হয়েছে। সেখানে নাম রয়েছে নওশাদ সিদ্দিকি-সহ একাধিক আইএসএফ নেতার। এই মামলা প্রসঙ্গে আরাবুল জানিয়েছেন, তিনি বা তাঁর ছেলে কোনওভাবে এই খুনের ঘটনায় যুক্ত নন। তাঁরা ঘটনাস্থলে ছিলেন না। আইএসএফের গুলিতেই প্রাণহানি হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।