দেবব্রত দাস, বারুইপুর: পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Bengal Panchayat Election) মনোনয়ন পর্বে উত্তপ্ত হয়েছে ভাঙড় (Bhangar)। প্রাণ গিয়েছে ২ জন তৃণমূল কর্মী ও ১ আইএসএফ কর্মীর। তৃণমূল কর্মী খুনে এবার এক আইএসএফ কর্মীকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। পাশাপাশি, অশান্তির তদন্তে শনিবার বিকেলে ভাঙড় ২ ব্লকের বিজয়গঞ্জ বাজারে পৌঁছে গিয়েছে সিআইডি। তাঁরা জ্বলে যাওয়া গাড়ি-সহ অশান্তিস্থলের নমুনা সংগ্রহ করছেন। এলাকার শান্তিবজায় রাখতে ও ভোটারদের আস্থা ফেরাতে ভাঙড়ে পৌঁছে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীও।
মনোনয়নের শেষদিনে ভাঙড় ২ ব্লকের বিজয়গঞ্জ বাজার চত্বরে অশান্তি ছড়ায়। লাগাতার বোমাবাজি, গুলি চলে। জ্বালিয়ে দেওয়া হয় গাড়ি। কার্যত বেলাগাম সন্ত্রাস চলে সেদিন। সংঘর্ষে প্রাণ যায় ২ তৃণমূল কর্মীর। যে ঘটনায় ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি-সহ বহু আইএসএফ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। খুনের ঘটনায় এদিন ১ আইএসএফ কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতের নাম রুহুল আমিন। বাড়ি চিনাপুকুর এলাকায়। সূত্রের খবর, তাঁর ২ সঙ্গীকেও আটক করা হয়েছে। সবমিলিয়ে তৃণমূল কর্মী খুনে ধৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮। অথচ ওই দিন ভাঙড়ে আরও এক আইএসএফ কর্মী খুন হয়েছিলেন। তাঁর খুনে এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
[আরও পড়ুন: শারীরিক সম্পর্কের পর বিয়েতে আপত্তি, নাবালিকার চুল কেটে ‘মার’ প্রেমিক ও তার মায়ের]
এদিকে ভাঙড়ে বেলাগাম সন্ত্রাসের তদন্তে নেমেছে সিআইডিও। শনিবার তাদের একটি দল বিজয়গঞ্জ বাজার চত্বরে পৌঁছে দিয়েছে। জ্বলে যাওয়া গাড়ি-সহ একাধিক অশান্তিস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহের কাজও শুরু করেছে। তবে ওয়াকিবহাল মহলেন মতে, অশান্তির পর ১ সপ্তাহেরও বেশি সময় কেটে গিয়েছে। বৃষ্টিও হয়েছে। ফলে নমুনা অনেকটাই ধুয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে, এলাকায় শান্তি ফেরাতে পৌঁছেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীও। আজ থেকেই এলাকায় রুট মার্চ শুরু হওয়ার কথা। এদিকে আরামবাগ ও বীরভূমেও পৌঁছে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।