নন্দন দত্ত, বীরভূম: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামার বাড়ির এলাকায় জয়ী বিজেপি। যদিও রামপুরহাটের কুসুম্বা পঞ্চায়েতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে তৃণমূল। তবুও মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির এলাকার ৩টি আসনের মধ্যে ২টিতে জয়ী হয়ে উচ্ছ্বসিত বিজেপি। বিজেপির জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামার বাড়ির লোকজন তাঁদের আত্মীয়দেরই পছন্দ করেন না। তাঁদের আবার সমর্থন কীসের?” পালটা হিসাবে এলাকার বিধায়ক তথা আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “গত বিধানসভা নির্বাচনে ওই এলাকায় আমরা পিছিয়ে ছিলাম। এবার সেখানে পঞ্চায়েত গঠন করব। এটাই সাফল্য।”
কুসুম্বা পঞ্চায়েতে ২১ আসনের মধ্যে ১১টিতে জয়ী হয়েছে তৃণমূল। শুধুমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামার বাড়ির এলাকার তিনটি বুথের মধ্যে দু’টি গিয়েছে বিজেপির দখলে। গত লোকসভার থেকে হারের ব্যবধান কমেছিল বিধানসভায়। বিধানসভায় ১৮০০ ভোটে (Panchayat Vote 2023) পিছিয়ে থাকার ব্যবধান কমল পঞ্চায়েত নির্বাচনে। ওই এলাকার ৩১ নম্বর বুথে ভোট দেন মুখ্যমন্ত্রীর মামা অনিল মুখোপাধ্যায়ের পরিবার। সেখান থেকেই জয়ী বিজেপির অর্চনা হাজরা। তাঁর কাছে পরাজিত তৃণমূলের সাথী লেট। একইভাবে তাঁর পাশের গ্রামের বুথ ৩২ নম্বরে জয়ী হয়েছেন বিজেপির গঙ্গাধর হাজরা। তিনি তৃণমূলের প্রার্থী গৌতম লেটকে হারান। যদিও ২৯ নম্বর বুথে জয়ী হয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী আদিত্য দত্ত।
[আরও পড়ুন: ‘মা-মাটি-মানুষের জয় মৃত্যুহীন হলেই ভাল হত’, দুঃখপ্রকাশ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের]
উল্লেখ্য, ‘তৃণমূলে নবজোয়ার’ কর্মসূচিতে তারাপীঠে রাত্রিবাসের সময় ‘অনিলদাদু’কে দেখতে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অসুস্থ দাদুকে কলকাতায় নিয়ে গিয়ে চিকিৎসার কথা বলেন। মুখ্যমন্ত্রীর মামার বাড়ির গ্রামে উন্নয়ন হয়েছে চোখে পড়ার মতো। তৃণমূলের দাবি, মাত্র দু’টি আসনে জয় নিয়ে যেভাবে বিজেপি লাফালাফি করছে, তা নিতান্তই হাস্যকর। তবুও কেন পরাজয় তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান তৃণমূল জেলা নেতৃত্ব।