দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: ভোট (Panchayat Election) মিটলেও অশান্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ এলাকা। ধারালো অস্ত্রের কোপে ক্যানিংয়ে খুন তৃণমূলের বুথ সভাপতি। ভাঙড়ে ভোটের আগের দিন জখম তৃণমূল কর্মীর প্রাণহানি। বিষ্ণুপুরের দক্ষিণ বাগি মোড়ে খুন তৃণমূল সমর্থক।
নিহত নান্টু গাজি ইটখোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৪২ নম্বর গাজিপাড়ার তৃণমূল কংগ্রেসের বুথ সভাপতি। বছর বিয়াল্লিশের নান্টু শুক্রবার বিকেলে সাতমুখী বাজারে গিয়েছিলেন। রাত নটার সময় বাড়ি ফিরছিলেন। অভিযোগ, তেঁতুলতলা এলাকায় ১০-১২ জন দুষ্কৃতী তাঁকে ঘিরে ধরে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপায়। সাহিনা গাজী নামে এক মহিলাকেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ মারে বলে অভিযোগ। পরে জখমদের রাতের অন্ধকারে রাস্তায় ফেলে রেখে চলে যায় দুষ্কৃতীরা।
[আরও পড়ুন: দ্রুত আয়ের লক্ষ্যে পর্নোগ্রাফি বানাতে স্ত্রীকে টার্গেট, ৫ বন্ধু মিলে ধর্ষণ! গ্রেপ্তার স্বামী]
রাত বাড়লেও বাড়ি না ফেরায় ওই বুথ সভাপতির পরিবারের লোকজন তাঁর খোঁজ শুরু করেন। রাত দুটো নাগাদ তেঁতুলতলা গাজিপাড়া এলাকায় রাস্তার উপর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় তাঁকে। তড়িঘড়ি উদ্ধার করে ওই দুই জখমকে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তৃণমূলের ওই বুথ সভাপতির হাত, পিঠে, গলা-সহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় গভীর ক্ষত ছিল।
ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাঁকে কলকাতার চিত্তরঞ্জন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। কলকাতার হাসপাতালে ভরতির পরেও শেষরক্ষা হয়নি। প্রাণ যায় নান্টুর। প্রাক্তন তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য সাজাহান গাজির দাবি, “এলাকা থেকে তৃণমূলকে শেষ করার জন্য চক্রান্ত করে আমাদের বুথ সভাপতিকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। আমরা পুলিশ প্রশাসনকে জানিয়েছি।” তদন্ত শুরু করেছে ক্যানিং থানার পুলিশ। পুরনো শত্রুতার জেরে এই খুন বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা পুলিশ।