সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চলতি অর্থবর্ষের তৃতীয় ত্রৈমাসিকেও অপরিবর্তিত থাকছে রিজার্ভ ব্যাংকের রেপো রেট (Repo Rate)। বৃহস্পতিবার রিজার্ভ ব্যাংকের মনিটারি পলিসি কমিটির বৈঠক শেষে রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন গভর্নর শক্তিকান্ত দাস। এর ফলে পরোক্ষে দেশের বিভিন্ন ব্যাংকের ঋণগ্রহীতারা কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবেন।
#WATCH | RBI Governor Shaktikanta Das says “Monetary Policy Committee decided unanimously to keep the Repo Rate unchanged at 6.50%” pic.twitter.com/138ppkCarB
Advertisement— ANI (@ANI) August 10, 2023
সারা বিশ্বেই আর্থিক অস্থিরতা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে মুদ্রাস্ফীতির (Inflation) মোকাবিলা করতে গত কয়েক দফায় বিপুল হারে রেপো রেট বাড়িয়েছে শীর্ষ ব্যাংক (RBI)। এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসে ২৫ বেসিস পয়েন্ট বেড়েছ রেপো রেট। মে মাসে রেপো রেট বেড়েছিল ৪০ বেসিস পয়েন্ট। পরে জুনে ফের তা ৫০ বেসিস পয়েন্ট বাড়ে। সব মিলিয়ে গতবছর মে মাস থেকে ২৫০ বেসিস পয়েন্ট বেড়েছে রেপো রেট।
[আরও পড়ুন: ফের পিছিয়ে গেল সুকন্যা মণ্ডলের জামিনের মামলা, মেয়ের খবর পেতে হয়রান অনুব্রত]
তবে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের প্রথম দুই ত্রৈমাসিকে সেটা বাড়ানো হয়নি। তৃতীয় ত্রৈমাসিকেও বাড়ানো হল না। এর আগে রেপো রেট লাগাতার বাড়ার ফলে সামগ্রিকভাবে ব্যবসায়ী থেকে ঋণগ্রহীতা সাধারণ মানুষ, সকলকেই সমস্যায় পড়তে হয়েছে। মূল্যবৃদ্ধিতে লাগাম টানতে গিয়ে সেই সাধারণ মানুষের উপরেই আর্থিক চাপ বাড়ছিল। বাড়ি, গাড়ির ঋণের উপরে সুদের হারও টানা বাড়ছিল। সেই যন্ত্রণায় খানিকটা বিরাম দিল রিজার্ভ ব্যাংক। আপাতত EMI বাড়ার সম্ভাবনা নেই।
[আরও পড়ুন: IIT হায়দরাবাদের হস্টেলের ঘরে ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ, ব়্যাগিং করে খুনের অভিযোগ]
বৃহস্পতিবার মানিটারি পলিসি কমিটির (MPC) বৈঠক শেষে রিজার্ভ ব্যাংক জানিয়েছে, আগের মতো রেপো রেট ৬.৫০ শতাংশই রাখা হচ্ছে। যা খানিকটা অপ্রত্যাশিত। বিশেষজ্ঞদের ধারণা ছিল, এবারে রেপো রেট অন্তত ২৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়ানো হবে। কিন্তু ব্যাংকগুলি এবং ঋণগ্রহীতাদের কথা ভেবেই রেপো রেট আপাতত অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রিজার্ভ ব্যাংক (Reserve Bank)। রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস এদিন জানিয়েছেন, ভারতের অর্থনীতি সন্তোষজনক গতিতেই এগোচ্ছে। এই মুহূর্তে ভারত বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতি। গোটা বিশ্বের অর্থনীতিতে প্রায় ১৫ শতাংশ অবদান ভারতেরই। তবে মুদ্রাস্ফীতি যে এখনও চিন্তার, সেটা মেনে নিয়েছেন আরবিআই গভর্নর। তিনিও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, আগামী দিনে মুদ্রাস্ফীতি অর্থনীতির জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে।