Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

কাশ্মীরের ‘বিশেষ মর্যাদা’ বাতিল হলেও বহাল থাকবে ৩৭১ ধারা, সুপ্রিম কোর্টে আশ্বাস কেন্দ্রের

বিশেষ মর্যাদা থাকবে উত্তর-পূর্ব ভারতের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০২৩, ১৭:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০২৩, ১৭:২৪

options
link
কাশ্মীরের ‘বিশেষ মর্যাদা’ বাতিল হলেও বহাল থাকবে ৩৭১ ধারা, সুপ্রিম কোর্টে আশ্বাস কেন্দ্রের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা খর্ব করা হলেও উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির বিশেষ মর্যাদায় হাত দেওয়া হবে না। সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) আশ্বস্ত করল কেন্দ্র। অর্থাৎ সংবিধানের ৩৭১ ধারা কখনও বাতিল করা হবে না বলে জানিয়ে দিল মোদি সরকার।

৪ বছর আগে সংবিধানের ৩৭০ নং অনুচ্ছেদ বাতিল করে জম্মু ও কাশ্মীরের ‘বিশেষ মর্যাদা’ প্রত্যাহার করে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) সরকার। ৩৫-এ ধারার অধীনে কাশ্মীরের নাগরিকরা যা যা বাড়তি সুবিধা পেতেন সেটাও কেড়ে নেওয়া হয়। কেন্দ্রের সেই পদক্ষেপের পর প্রশ্ন উঠতে শুরু করে তাহলে কি উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলি যে বিশেষ মর্যাদা পেয়ে থাকে, সেটাও প্রত্যাহার করা হবে। বিরোধীরা সেই আশঙ্কাও প্রকাশ করে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: শাবানা আজমির নাম করে সাইবার ক্রাইম, অনুরাগীদের সাবধান করলেন অভিনেত্রী]

কিন্তু চারবছর বাদে ৩৭০ ধারা বাতিল সংক্রান্ত মামলাতেই সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) কেন্দ্র সরকার জানাল, ৩৭১ ধারা বাতিল করার প্রশ্নই নেই। কেন্দ্র জানিয়েছে, ৩৭০ অনুচ্ছেদ ছিল অস্থায়ী অনুচ্ছেদ। ১৯৫০ সালে সংবিধান প্রণয়নের সময় ৩৭০ অনুচ্ছেদে জম্মু-কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হলেও সেই মর্যাদা স্থায়ী ছিল না। সেটা ছিল সংবিধানের অস্থায়ী সংস্থান। রাষ্ট্রপতি চাইলেই সেটি বাতিল করতে পারতেন। রাষ্ট্রপতির ওই ক্ষমতাকে ব্যবহার করেই ২০১৯ সালে ‘বিশেষ মর্যাদা’ প্রত্যাহার করে মোদি সরকার।

[আরও পড়ুন: ‘বাঙালি আজও দাদাগিরি করে’, ফের ছোটপর্দায় সৌরভ ম্যাজিক, প্রকাশ্যে ঝলক]

কিন্তু ৩৭১ স্থায়ী অনুচ্ছেদ। ৩৭০ ধারার মতো বাতিল করে দেওয়ার কোনও সংস্থান এতে নেই। তাই এটা বাতিল করার কোনও প্রশ্ন নেই। আসলে উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির বিস্তীর্ণ অঞ্চল এখনও উপদ্রুত এলাকা। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার পাশাপাশি সম্ভবত সেটাও মোদি সরকারের এই ধারা বাতিল না করার অন্যতম কারণ।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.