Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

‘নিজে হাতে বিয়ে দিয়েও হানিপ্রীতের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক গুরমিতের’

বিস্ফোরক দাবি হানিপ্রীতের প্রাক্তন স্বামীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০১৭, ০৮:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩, ২০১৭, ০৮:০৭

options
link
‘নিজে হাতে বিয়ে দিয়েও হানিপ্রীতের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক গুরমিতের’ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাবা-মেয়ের সম্পর্ক সরল, নিষ্পাপ। আর এই চিরন্তন সম্পর্ককে পুঁজি করে গোটা দুনিয়াকে ঠকিয়েছে রাম রহিম ও হানিপ্রীত। তাদের মধ্যে যৌন সম্পর্ক ছিল। এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন হানিপ্রীতের প্রাক্তন স্বামী বিশ্বাস গুপ্তার। স্বঘোষিত ভণ্ড বাবা শ্রীঘরে। হানিপ্রীত উধাও। এই পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে হাটে হাঁড়ি ভাঙলেও জীবন সংশয়ে রয়েছেন বিশ্বাস।

HONEPREET-HUSBAND

Advertisement

[হিন্দু মেয়ের সঙ্গে প্রেম করতে পারবে না মুসলিম যুবকরা, নিদান বিজেপি নেত্রীর]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

তাঁর দাবি, রাম রহিমের সঙ্গে হানিপ্রীতের বাবা-মেয়ের সম্পর্ক ছিল না। তারা এক বিছানায় থাকত। হানিপ্রীতের প্রাক্তন স্বামীর অভিযোগ তাঁর সমস্ত সম্পত্তি ডেরা জোর করে দখল করে রেখেছে। বিশ্বাসের দাবি, রাম রহিম ও হানিপ্রীতের অন্ধকার দুনিয়া সম্পর্কে তিনি ওয়াকিবহাল। তাদের কুকীর্তি সামনে থেকে দেখেছেন। বিশ্বাস জানান, রাম রহিমই তাঁর সঙ্গে হানিপ্রীতের বিয়ে দেন। তারপর তাঁকে শিখণ্ডী কুকর্ম চালাতে থাকে রাম রহিম। এই কারণেই হানিপ্রীতের সঙ্গে দাম্পত্যে দাঁড়ি পড়ে যায়। বিশ্বাসের বক্তব্য, হানিপ্রীত রাম রহিমের ঘরেই থাকত। একাধিকবার আপত্তিকর অবস্থায় দুজনকে দেখেছেন। এই কথা বলে তাঁর সংযোজন দুজনের মধ্যে কখনই বাবা-মেয়ের সম্পর্ক ছিল না। যখন ওরা দুজনে ঘরের মধ্যে থাকত, তখন বিশ্বাসকে বাইরে থাকতে বলা হত।

[রাষ্ট্রসংঘে ইসলামাবাদের জারিজুরি একাই শেষ করলেন এই ভারতীয় নারী]

বিশ্বাসের দাবি, তাঁকে ভুয়ো মামলায় ফাঁসিয়ে জেলেও পর্যন্ত পাঠিয়েছে রাম রহিম। জেলেও তাঁর উপর হামলা চালানো হয়েছিল। এমনকী পুলিশের মধ্যে রাম রহিমের চর রয়েছে। ডেরাতেও বিগ বসের সেটের মতো প্রাসাদোপম ঘর বানিয়েছিল রাম রহিম। নিরাপত্তার জন্য চর্তুদিকে সিসিটিভি বসানো হয়। এমনকী শৌচাগারও ছিল ক্যামেরার নজরবন্দি। রাম রহিম বিশ্বাসের বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা দায়ের করেছিল। এমনকী বিশ্বাসের বাবাকেও ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছিল। নিরুপায় হয়ে বিশ্বাস এবং তাঁর পরিবার ডেরা প্রধানের সঙ্গে সমঝোতা করেছিল। সমঝোতার শর্ত হিসাবে রাম রহিম ও হানিপ্রীতের সম্পর্ক নিয়ে বিশ্বাস যা বলেছিল তা প্রত্যাহার করতে হয়েছিল। প্রকাশ্যে ডেরা ও রাম রহিমের কাছে ক্ষমাও চাইতে হয়েছিল। সাংবাদিকদের সামনে বাবা-মেয়ের কুকীর্তি ফাঁস করে কান্নায় ভেঙে পড়েন বিশ্বাস। তাঁর আশঙ্কা, খুন হতে পারেন। হানিপ্রীতের প্রাক্তন স্বামীর উদ্বেগ, বাবা জেলে থাকলেও এতটাই প্রভাবশালী যে অঘটন ঘটতে পারে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.