সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাছের বাজার, এক এলাকায় চার-চারটে প্রাসাদোপম বাড়ি। খালি চোখে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের যে সম্পত্তি, তাতেই চোখ কপালে ওঠার জোগাড়। এলাকায় গুঞ্জন, প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ‘আশীর্বাদে’ই তাঁর এই বাড়বাড়ন্ত। শুক্রবার তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়েই আক্রমণের মুখে পড়েন ইডি (ED) আধিকারিকরা। কিন্তু সেই ঘটনার পর শনিবার শাহজাহানের প্রাসাদ শূন্য। বড় তালা দিয়ে আটকানো সদর দরজা। চারপাশে চিহ্নমাত্র নেই পরিবারের কারও। অনেকেই বলছেন, সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে গা ঢাকা দিয়েছেন দাপুটে তৃণমূল নেতা। এখনও শাহজাহানের বাড়ির কাছাকাছি ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না সাংবাদিকরা।

সরবেড়িয়ার আকুঞ্জবেড়িয়ায় পর পর চারটি বাড়ি শাহজাহানের। কোনওটি সাদা, কোনওটি হলুদ, কোনও বাড়ির আবার নীলচে। একা শাহজাহানেরই নয়, রয়েছে ভাই ও অন্যান্য আত্মীয়ের বাড়িও। কিন্তু শুক্রবারের ঘটনার পর থেকে সবকটি বাড়িই তালাবন্ধ। তবে বাড়িগুলো সবই অগোছালো। বাইরে থেকে একঝলক তাকালেই তা বোঝা যাচ্ছে। তবে কি তাড়াহুড়োয় তালা বন্ধ করে বেরিয়েছেন সকলে? উঠছে প্রশ্ন। আরও প্রশ্ন উঠছে, শুক্রবার যখন তাঁর বাড়িতে ইডি আধিকারিকদের যেতে বাধা দিয়েছিলেন তাঁর অনুগামীরা, তখন শাহজাহান নিজে কোথায় ছিলেন?
[আরও পড়ুন: ‘চক্রান্ত হয়েছে, জবাব দেব’, সিজিও কমপ্লেক্সে এসে চ্যালেঞ্জ শংকর আঢ্যর মেয়ের]
ইডি সূত্রে খবর, শাহজাহানের মোবাইল টাওয়ার অনুযায়ী, তিনি বাড়িতেই ছিলেন। কিন্তু শুক্রবার থেকে এখনও পর্যন্ত শাহজাহানকে কোথাও দেখা যায়নি। তিনি তাহলে কোথায়? শুক্রবারই বা শাহজাহান কোথায় ছিলেন? এলাকাবাসী অবশ্য শাহজাহানকে সুনজরেই দেখেন। শনিবারও সংবাদমাধ্যমের সামনে পড়ে তাঁরা প্রশংসাই করেন। এদিকে তৃণমূল নেতার সাদা বাড়ির সামনে অনেকটা রাস্তা কার্যত নিরাপত্তার ঘেরাটোপে। রাস্তার মোড়ে রয়েছে পুলিশ। সাংবাদিকদের দেখলেই সেখানে যেতে বাধা দেওয়া হচ্ছে।
[আরও পড়ুন: মাঝ আকাশে উড়ে গেল বিমানের দরজা! আলাস্কা এয়ারলায়েন্সের ভিডিও দেখলে শিউড়ে উঠবেন]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন