Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Jhargram

অযোধ্যায় ঘর পেলেন রামলালা, ঝাড়গ্রামে কোল পেল খুদে ‘রাম’

সদ্যোজাতকে নতুন জীবন দিল ঝাড়গ্রামের দম্পতি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২৪, ১৮:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২৪, ১৮:৩৬

options
link
অযোধ্যায় ঘর পেলেন রামলালা, ঝাড়গ্রামে কোল পেল খুদে ‘রাম’ zoom
প্রতীকী ছবি

সুনীপা চক্রবর্তী, ঝাড়গ্রাম: অযোধ্যায় ঘর পেলেন রামলালা। ৫০০ বছর পর ফিরলেন নিজের ঘরে। ঠিক সেদিনই ঝাড়গ্রামে কোল পেল আরেক ‘রাম’। যাকে অনাদরে রাস্তায় ফেলে গিয়েছিলেন তার জন্মদাত্রী ও জন্মদাতা। রামমন্দির উদ্বোধনের দিন ভোরের আলো ফোটার আগে সদ্যোজাতকে নতুন জীবন দিল ঝাড়গ্রামের দম্পতি। কোলজুড়ে তাদের ঘরে এল ‘রাম’। কিন্তু নিয়মের গেরো শিশুটিকে এখনও পাননি তাঁরা।

সোমবার ভোর প্রায় সাড়ে পাঁচটা। সূর্যদেব তখনও প্রকট হননি। প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে মানিকপাড়ার জয়পুর গ্রামের সমীর রায় এবং তাঁর স্ত্রী ভারতী দেবী গ্রামের অদূরে কংসাবতী নদী সংলগ্ন এলাকায় গিয়েছিলেন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন গ্রামেরও কয়েকজন। হঠাৎ রায় দম্পতি লক্ষ্য করেন নদীর চরে কাপড় ঢাকা দেওয়া কিছু একটা নড়ছে। অস্ফুট স্বরে কন্নার আওয়াজও শোনা যাচ্ছে। হাড়হিম করা ঠান্ডায় শিশুর কান্না শুনে ছুটে গিয়েছিলেন রায় দম্পতি। কাপড় সরিয়ে দেখেন হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় পড়ে রয়েছে একটি সদ্যোজাত শিশুপুত্র। কোনও কিছু না ভাবেই তাঁরা শিশুটিকে নিজেদের বাড়িতে নিয়ে যান। একরত্তির শরীর গরম করে, দুধ খাওয়ান।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: রামমন্দির উদ্বোধনের আগে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা রাষ্ট্রপতির, কী জবাব দিলেন মোদি?]

এর পর নিয়ম মেনে গ্রামের সিভিক ভলান্টিয়ারের মাধ্যমে মানিকপাড়া ফাঁড়িতে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এবং উদ্ধারকারী দম্পতি, গ্রামের মানুষজন মানিকপাড়া নিবেদিতা কর্মমন্দির দত্তক হোমে শিশুটিকে জমা দেন। সেখান থেকে হোম কর্তৃপক্ষ শিশুটিকে মানিকপাড়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করান। পাশাপাশি হোমের পক্ষ থেকে জেলা চাইল্ড ওয়েল ফেয়ার কমিটিকে জানানো হয়। হোমের পক্ষ থেকে প্রতিনিধি রয়েছে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে।

এদিকে রায় দম্পতি চাইছেন ওই শিশুটিকে যেন তাঁদের দত্তক দেওয়া হয়। সমীরবাবু জানান তিনি এক রাজমিস্ত্রী এবং ছোটখাট ঠিকাদারির কাজ করেন। তাঁর একটি বছর পাঁচেকের কন্যা সন্তান রয়েছে। তিনি বলেন, “এদিন খুব ভোরে শিশুটিকে নদীর চড়ে আমরা পড়ে থাকতে দেখি। আমি এবং আমার স্ত্রী তাকে বাড়িতে নিয়ে এসেছিলাম। আজ খুব পবিত্র দিন। দেবতা রামের জন্ম দিন। আমাদের ঘরে রাম এসেছেন। আমরা চাই তাকে সন্তান হিসেবে বড় করে তুলতে।”

[আরও পড়ুন: রামমন্দিরের তহবিলে অনুদান দিলেই মিলতে পারে করছাড়, জেনে নিন কীভাবে?]

এই বিষয়ে নিবেদিতা কর্ম মন্দির দত্তক হোমের সম্পাদক দেবাশিস বন্দ্যোপায় বলেন. “ওই দম্পতি শিশুটিকে উদ্ধার করেছে। বিভিন্ন পদ্ধতি মতো আমাদের হোমে এসেছে। আমরা শিশুটিকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করিয়েছি। সংশ্লিষ্ট দপ্তরে খবর দেওয়া হয়েছে। ওই দম্পতি চান শিশুটির নাম ‘রাম’ রাখা হোক এবং পাশাপাশি তাকে দত্তক দেওয়া হোক।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.