Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Cancer

ক্যানসারের বিরুদ্ধে ‘আত্মনির্ভর’ দেশ, দেশীয় CAR-T পদ্ধতিতেই রোগমুক্তি ভারতীয় রোগীর

বিদেশের দশ ভাগের এক ভাগ খরচেই দেশে ক্যানসারমুক্ত হলেন রোগী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৪, ১৪:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৪, ১৪:২১

options
link
ক্যানসারের বিরুদ্ধে ‘আত্মনির্ভর’ দেশ, দেশীয় CAR-T পদ্ধতিতেই রোগমুক্তি ভারতীয় রোগীর zoom
প্রতীকী চিত্র

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ক্যানসার। এই একটি শব্দ যেন মৃত্যুর সমার্থক হয়ে ওঠে। কিন্তু কর্কটরোগের সঙ্গে লড়াইয়ে জয়ী হওয়া মানুষের সংখ্যাও কম নয়। যত সময় যাচ্ছে উন্নত চিকিৎসার সাহায্যে ক্য়ানসারের (Cancer) বিরুদ্ধে লড়াই আরও মজবুত হচ্ছে। আর সেই লড়াইয়ে এবার নয়া দিশা দেখাল ভারত। ‘আত্মনির্ভর’ হয়ে ওঠার মন্ত্রেই এবার ক্যানসারকে হারালেন এক ভারতীয়। তাঁকে সুস্থ করে তুলল দেশীয় চিকিৎসা পদ্ধতি ‘CAR-T সেল থেরাপি’।

সম্প্রতি এই পদ্ধতির বাণিজ্যিক ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছিল সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন তথা CDSCO। আক্রান্ত রোগী নিজেও চিকিৎসক। দিল্লির বাসিন্দা গ্যাস্ট্রোএনটেরোলজিস্ট ড. ভি কে গুপ্তা। সব মিলিয়ে তাঁর চিকিৎসায় খরচ পড়েছে ৪২ লক্ষ টাকা। যা বিদেশে গিয়ে করালে খরচ পড়ত ৪ কোটি টাকা।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: স্বস্তিতে লালুর পরিবার, নিয়োগ দুর্নীতিতে জামিন রাবড়ি দেবী ও দুই কন্যার]

কী এই কার-টি সেল থেরাপি? এটা এক ধরনের ইমিউনোথেরাপি। যা জেনেটিক্যালি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে রোগীর টি সেলকে ক্যানসারের কোষের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক করে তোলে। এখানে বলে রাখা যায়, টি সেল হল এক ধরনের শ্বেত রক্তকণিকা যা শরীরের সংক্রমণের সঙ্গে লড়ে। রোগীর শরীর থেকে ওই কোষগুলো বের করে নিয়ে গবেষণাগারে তার সঙ্গে স্পেশাল প্রোটিন কারকে জুড়ে দেয়। তৈরি হয় কার-টি। এবার ওই কোষকে ফের রোগীর শরীরে প্রবেশ করানো হয়। আর এর পরই ঘটে যায় ম্যাজিক। ওই রূপান্তরিত টি সেল ক্যানসার কোষগুলোকে চিনে নিয়ে সেগুলোকে আক্রমণ করতে থাকে।

প্রসঙ্গত, গত বছরের অক্টোবরে এই চিকিৎসার বাণিজ্যিক ব্যবহারের অনুমতি দেয় কেন্দ্রীয় সংস্থা। র তার পরই সেই থেরাপি ক্যানসারের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জিতিয়ে দিল এক রোগীকে। এই মুহূর্তে পনেরো বছরের বেশি বয়সি রোগী, যারা বি-সেল ক্যানসারে ভুগছে, তাদের জন্য দেশের ১০টি শহরের ৩০টি হাসপাতালে এই চিকিৎসা উপলব্ধ।

[আরও পড়ুন: কিশোর পড়ুয়ার সঙ্গে দিনের পর দিন সঙ্গম শিক্ষিকার, জেরায় কবুল করলেন বিবাহিতা তরুণী]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.