সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অজিত মাইতি তৃণমূলের পদ হারানোর পরই দায়িত্ব পেয়েছেন হলধর আড়ি। আর তার ঠিক ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই তাঁর বাড়ি সংলগ্ন খড়ের গাদায় আগুন। কে বা কারা আগুন লাগাল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে অশান্তি রুখতে তৃণমূল নেতার বাড়ির সামনে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
বেড়মজুর এক নম্বর অঞ্চল তৃণমূলের নতুন আহ্বায়ক হলধর আড়ি। সোমবার সকালে আইটপাড়ায় তাঁর খড়ের গাদায় আগুন জ্বলতে দেখা যায়। কে বা কারা আগুন লাগল, তা এখনও জানা যায়নি। জনরোষের শিকার তিনি হননি বলেই মনে করছেন তৃণমূল নেতা। তবে এই ঘটনার নেপথ্যে বিরোধীদের ষড়যন্ত্রের আশঙ্কাও উড়িয়ে দিতে পারছেন না হলধরবাবু। অশান্তি এড়াতে তৃণমূল নেতার বাড়ির সামনে মোতায়েন বিশাল পুলিশবাহিনী।
[আরও পড়ুন: জমি লুটের অভিযোগ, রাতভর জেরার পর গ্রেপ্তার বেড়মজুরের তৃণমূল নেতা অজিত মাইতি]
উল্লেখ্য, সন্দেশখালির ‘বেতাজ বাদশা’ শেখ শাহজাহানের ভাই শেখ সিরাজউদ্দিনের পর অঞ্চল সভাপতির পদ পান অজিত মাইতি। অভিযোগ, শাহজাহানের প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে সন্দেশখালির বেড়মজুর এলাকায় একের পর এক জমি লুট করে গিয়েছেন তিনি। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভয় দেখিয়ে অনৈতিক কাজকর্ম করতেন। পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানো হলেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ। গত শুক্রবার উত্তপ্ত সন্দেশখালিতে স্থানীয় মহিলাদের রোষের মুখে পড়েন অজিত মাইতি।
লাঠি, ঝাঁটা হাতে রণংদেহী মহিলারা কার্যত তাঁকে ঘিরে ধরেন। তাঁর বাড়ির একাংশে আগুন লাগিয়ে দেয়। তাঁকে জুতোপেটাও করা হয়। ইটবৃষ্টি হয়। তবে সেদিন পালিয়ে কোনওক্রমে রক্ষা পান তৃণমূল নেতা। তার ঠিক দুদিন পর রবিবারও গ্রামের মেঠো রাস্তা দিয়ে ফিরছিলেন তৃণমূল নেতা। ফের মহিলাদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন তৃণমূল নেতা। তাঁকে ধাওয়া করেন স্থানীয়রা। এলাকাবাসীর তাড়া খেয়ে এক সিভিক ভলান্টিয়ারের বাড়িতে আশ্রয় নেন। একের পর এক অভিযোগ সামনে আসার পরই পদ হারান অজিত। আর তার পরই যুগ্ম আহ্বায়ক পদে শক্তিপদ রাউত আর হলধর আড়ি।
[আরও পড়ুন: পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জে গুলি, অশোকনগরে পরিচিতর বাড়িতেই খুন তৃণমূল উপপ্রধান]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন