সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ধর্ষণের দায়ে ২০ বছর গারদের ওপারে এককালের প্রতাপশালী বাবা রাম রহিম। এবার নাসবন্দি নিয়েও তাকে চেপে ধরল সিবিআই। ডেরায় প্রায় ৪০০ অনুগামীর নির্বীজকরণ নিয়ে তার বয়ান রেকর্ড করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
[ বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগে সিআইডির নোটিস ঋতব্রতকে ]
রাম রহিমের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ দায়ের করেছিলেন হংসরাজ চৌহান। তাঁর অভিযোগ, ডেরায় প্রায় প্রত্যেক পুরুষ অনুগামীর নির্বীজকরণ করা হয়। রাম রহিমের সাফাই ছিল, নাসবন্দির মাধ্যমেই ঈশ্বরকে পাওয়া যায়। এই বলেই পুরুষ শিষ্যদের এই কাজে বাধ্য করা হত। নেপথ্যের কারণ অবশ্য অন্য। ডেরার ভিতর যেভাবে যৌনচার চলত তার একচ্ছত্র অধিপতি ছিল রাম রহিম। সাধ্বী থেকে শুরু করে অন্যান্য মহিলাদের ভোগের অধিকার ছিল একমাত্র তারই। আর তাই বাকি সমস্ত পুরুষদের পৌরুষত্ব হরণ করে নেওয়া হত। এই অভিযোগ ওঠার পরই আদালত বাবার বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দেয়। এবার তা নিয়েই টানা জিজ্ঞাসাবাদ করে রাম রহিমের বয়ান রেকর্ড করল সিবিআই। সূত্রের খবর, এই পরিস্থিতিতেও নির্বীজকরণের অভিযোগ অস্বীকার করে চলেছে ধর্ষক বাবা।
[ ভুল করে মহিলাদের শৌচাগারে রাহুল গান্ধী, নেটিজেনদের বিদ্রুপ ]
এদিকে বাবা রাম রহিমকে নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ তার দত্তক কন্যা হানিপ্রীতও। গোপন ডেরায় নিয়ে গিয়ে তাকে টানা জেরা করছে পুলিশ। জেরার মুখে খানিকটা ভেঙেও পড়েছে হানিপ্রীত। জানা গিয়েছে, পঞ্চকুল্লায় হিংসার ঘটনার পরিকল্পনা ছিল তারই। হানিপ্রীতের ল্যাপটপ থেকে পুরো ঘটনার নকশাও উদ্ধার হয়েছে। তবে রাম রহিম ও তার যৌনাচার নিয়ে এখনও মুখে কুলুপ হানিপ্রীতের। বাবার যৌন জীবন নিয়েও তাকে একরকম ক্লিনচিট দিয়েছে মেয়ে। এমনকী তার সঙ্গে বাবার সম্পর্ক শুদ্ধ ছিল বলেও জানিয়েছে। তবে এখনও জারি জিজ্ঞাসাবাদ। পুলিশের আশা, শেষমেশ হানিপ্রীতের মুখেই বাবার দুর্নীতির যাবতীয় তথ্য উঠে আসবে।