ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে ‘নির্বাচনী লড়াই’ থেকে সরে দাঁড়ানোর অনুরোধ জানালেন কুণাল ঘোষ। তমলুক আসনে দেবাংশু ভট্টাচার্যের জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী তিনি। একইসঙ্গে তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদের দাবি, “আসলে যার হাত ধরে আপনি বিজেপিতে এসেছেন, সেই শুভেন্দু অধিকারী আপনাকে ভোটে জিততে দেবে না।” কারণ হিসেবে তাঁর ব্যাখ্যা, “আপনি কেন, বিজেপিতে অন্য কোনও নেতাকে প্রতিষ্ঠিত হতে দেবে না ও।” স্বাভাবিকভাবেই তাঁর এহেন মন্তব্যে জল্পনা দানা বেঁধেছে।
শনিবার তমলুকের সভায় এই দাবি করেছিলেন কুণাল ঘোষ। এর পর রবিবার সকালে এক্স হ্যান্ডেলেও একই অনুরোধ করে তিনি। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের উদ্দেশে তিনি লেখেন,”পরিচয় থাকার সুবাদে একটি অনুরোধ। আপনি বিচারপতি থাকাকালীন বিতর্কিত। ইস্তফা দিয়ে প্রশ্নের মুখে। বিজেপিতে গিয়ে সমালোচিত। অনুরোধ, এখনও সময় আছে, ওদের বলে দিন, প্রার্থী হবেন না।” এর পর তাঁর সংযোজন, “তমলুকে তৃণমূল জিতবে। দুমাস পর আপনার সব সম্মান নষ্ট হবে।”
[আরও পড়ুন: বাংলায় ৭ দফায় নির্বাচন, কোন লোকসভা কেন্দ্রে কবে ভোট? রইল পূর্ণাঙ্গ তালিকা]
তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদের দাবি, “যে আপনাকে তমলুক নিয়ে যাচ্ছে, সেও আপনাকে হারাবে। তার দলে অন্য বড় নাম সে সহ্য করতে পারে না, বাড়তে দেবে না। এখনও সময় আছে, আপনি নির্বাচনী ময়দান থেকে সরে থাকুন। পরাজয়ের দিনটি দেখা বড় কঠিন।” উল্লেখ্য, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই জল্পনা ছড়িয়েছে তমলুক আসনে ভোটে দাঁড়াচ্ছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেই সিদ্ধান্তের কথাই পুনর্বিবেচনা করার দাবি জানিয়েছে কুণাল।
শ্রী অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়,
পরিচয় থাকার সুবাদে একটি অনুরোধ।
আপনি বিচারপতি থাকাকালীন বিতর্কিত।
ইস্তফা দিয়ে প্রশ্নের মুখে।
বিজেপিতে গিয়ে সমালোচিত।
অনুরোধ, এখনও সময় আছে, ওদের বলে দিন, প্রার্থী হবেন না।
তমলুকে @AITCofficial জিতবে।
দুমাস পর আপনার সব সম্মান নষ্ট হবে।
যে আপনাকে তমলুক…— Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) March 17, 2024
শনিবার তমলুকের সভায় তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ কুণাল ঘোষ বলেন, “ভোট গণনার পর তো আপনি হেরে যাবেন। তাই আপনাকে অনুরোধ, এখনও সময় আছে বিজেপি নেতৃত্বকে জানিয়ে দিন যে, আপনি ভোটে দঁাড়াবেন না।” তিনি আরও বলেন, “আসলে যার হাত ধরে আপনি বিজেপিতে এসেছেন, সেই শুভেন্দু অধিকারী আপনাকে ভোটে জিততে দেবে না। কারণ, তমলুক আসনটি ব্লক করতে আপনাকে সামনে রেখে এগোচ্ছে শুভেন্দু। আপনি কেন, বিজেপিতে অন্য কোনও নেতাকে প্রতিষ্ঠিত হতে দেবে না কাঁথির অধিকারী বাড়ির ওই কুলাঙ্গার। ও নিজেকে ছাড়া কাউকে ভালোবাসে না।”