সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গার্ডেনরিচ কাণ্ডে (Garden Reach) এবার নাম না করে মেয়র ফিরহাদ হাকিমকেই নিশানা করলেন ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ। বললেন, “যিনি চেয়ারে বসেন, নিয়ন্ত্রণের দায় তাঁর।” স্থানীয় কাউন্সিলরের সঙ্গে ধৃত প্রোমোটারের সম্পর্কের কথাও তুলে ধরলেন তিনি।
এক রাতে সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে গার্ডেনরিচের ফতেপুর ব্যানার্জীপাড়া লেনের বাসিন্দাদের জীবনযাত্রা। মুহূর্তে স্বজন হারিয়েছেন অনেকে। বেশ কয়েকজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই দুর্ঘটনার দায় কার? তা নিয়ে জোর চর্চা চলছে। মেয়র ফিরহাদ হাকিম বিল্ডিং বিভাগের উপর দায় চাপিয়েছেন। কাউন্সিলরের ভূমিকা অস্বীকার করতে না পারলেও বলা যায়, তাঁকে ক্লিনচিট দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। এই পরিস্থিতিতে মেয়রের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিলেন ডেপুটি মেয়র।
[আরও পড়ুন: ড্রেসিংরুমে বসেই সিগারেটে সুখটান পাক ক্রিকেটারের! ‘পাকিস্তান স্মোকিং লিগ’, তোপ নেটদুনিয়ার]
গার্ডেনরিচ কাণ্ডে প্রশ্ন করা হলে এদিন অতীন ঘোষ (Atin Ghosh) বলেন, যিনি চেয়ারে বসেন, নিয়ন্ত্রণের দায় তাঁর। কেউ দায় এড়াতে পারেন না।” ডেপুটি মেয়রের কথায়, “আমি যদি কাউন্সিলর হই, তাহলে এই ঘটনার দায় আমারও।” এখানেই শেষ নয়, গার্ডেনরিচ কার্ডের পর সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল ধৃত প্রোমোটার মহম্মদ ওয়াসিম ও স্থানীয় কাউন্সিলরের ছবি। তাঁদের সুসম্পর্ককে কটাক্ষ করে অতীন বলেন, “কাউন্সিলর যদি প্রোমোটারের সর্বক্ষণের সঙ্গী হন। এবং এরকম ঘটনা ঘটে, সেক্ষেত্রে দায় কাউন্সিলরেরও।”
প্রসঙ্গত, এদিন দুর্ঘটনার দায় বিল্ডিং বিভাগের আধিকারিকদের ঘাড়েই চাপিয়েছেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন, “কেন এরকম হচ্ছে বুঝতে পারছি না। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রায় ৮০০ বাড়ি ভাঙা হয়েছে। তার মধ্যে ২৫ টি গার্ডেনরিচের। কিন্তু বেআইনি নির্মাণ দেখার দায় বিল্ডিং বিভাগের আধিকারিকদের।” অর্থাৎ দুর্ঘটনার দায় আধিকারিকদের ঘাড়ে চাপালেন তিনি। এর পিছনে অসাধু চক্র আছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
[আরও পড়ুন: মানুষের জীবন আগে, বেআইনি নির্মাণ ভাঙা আটকাব না! সাফ জানালেন বিচারপতি সিনহা]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন