Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

মোদির সঙ্গে কিম জং উনের তুলনা, ২২ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা

বিরুদ্ধাচরণ করলেই কি জেলে পোরা হবে, প্রশ্ন বিরোধীদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৫, ২০১৭, ১০:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৫, ২০১৭, ১০:৫৭

options
link
মোদির সঙ্গে কিম জং উনের তুলনা, ২২ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খুচরো সংকটে জেরবার কানপুরের ব্যবসায়ীরা। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে, এখনই খুচরো নিয়ে সমস্যার সমাধান না হলে ব্যবসার গণেশ উলটাতে পারে।

আর এই অভিযোগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁরা তুলনা টানলেন উত্তর কোরিয়ার সর্বাধিনায়ক কিম জং উনের। ব্যবসায়ীদের একাংশের অভিযোগ, কিম যেভাবে পৃথিবী ধ্বংস না হলে শান্ত হবেন না, সেই একইভাবে মোদিও ছোট ব্যবসায়ীদের ভাতে না মেরে শান্ত হবেন না। এই অভিযোগ তুলে কানপুরের ২২জন ব্যবসায়ী বেশ কয়েকটি পোস্টার ও ব্যানার লাগান। আর এরপরই তাঁদের পড়তে হয় বিপাকে। পুলিশ ওই ২২ জনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করেছে। ইতিমধ্যেই এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[‘ভারত যে কতটা ক্ষমতাশালী তা ভালই বুঝেছে চিন’]

পুলিশের দাবি অভিযুক্ত ওই ব্যবসায়ীরা মোদির সঙ্গে কিমের তুলনা টেনে ‘অশালীন’ পোস্টার ও ব্যানার সাঁটান। পোস্টারে খুচরো নিয়ে সমস্যার কথার উল্লেখ ছিল। প্রবীণ কুমার নামে শারদা নগরের এক বাসিন্দা গত বৃহস্পতিবার ওই পোস্টারগুলি লাগিয়েছিলেন। তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার এই কথা প্রকাশ্যে আসার পরই হইচই শুরু হয়েছে। মোদির জমানায় একনায়কতন্ত্র চলছে বলে অভিযোগ বিরোধীদের। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইউপি স্পেশ্যাল পাওয়ারস অ্যাক্ট-এর সেকশন ৩২(৩) ও ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৫৩(এ) ও ৫০৫ ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এসপি (সাউথ) অশোক ভার্মা একজনের গ্রেপ্তারের খবর স্বীকার করে জানিয়েছেন, বাকিদেরও দ্রুতই গ্রেপ্তার করা হবে।

পোস্টারে দেখা যাচ্ছে, একপ্রান্তে কিমের ছবি, অপরপ্রান্তে মোদির ছবি। কিমের ছবির পাশে লেখা, ‘পৃথিবী ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত আমি থামব না।’ মোদির ছবির পাশে লেখা ‘ব্যবসা বন্ধ না করা পর্যন্ত আমি থামব না।’ ওই পোস্টারেই ব্যবসায়ীরা মোদিকে খুচরো নেওয়ারও আবেদন জানান। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, এলাকার ব্যাঙ্কগুলি খুচরো নিচ্ছে না। পাইকারি ব্যবসায়ীদের মধ্যে এক একজনের কাছে প্রায় ১০-১৫ লক্ষ টাকা খুচরো জমে গিয়েছে। শুধু কানপুরেই এই মুহূর্তে প্রায় ২০০ কোটি টাকার খুচরো জমে গিয়েছে। সবমিলিয়ে চরম আর্থিক সঙ্কটে ব্যবসায়ীরা। বিষয়টি তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নজরে আনতে চান বলেই এহেন পদক্ষেপ করেছিলেন বলে জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অভিযুক্ত এক ব্যবসায়ী।

[আধার-ফোন সংযোগে ‘বেআইনি’ চাপ টেলিকম সংস্থাগুলির, অভিযোগ গ্রাহকদের]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.