সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রামমন্দির আবেগ উসকে দিয়ে অযোধ্যায় জিততে চেয়েছিল বিজেপি। কিন্তু রামমন্দিরের শহরটি যে কেন্দ্রে অবস্থিত, সেই ফৈজাবাদে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থীকে হারিয়ে দিয়েছেন সমাজবাদী পার্টির দলিত নেতা। বিপুল ভোটে জেতার পরে সেই অবধেশ প্রসাদের প্রথম প্রতিক্রিয়া, রামের আশীর্বাদ ছিল বলেই সাফল্য মিলেছে।
রামের নামে ভোট বৈতরণী পার হয়ে যাবেন বলেই ভেবেছিলেন ফৈজাবাদের (Faizabad) বিজেপি প্রার্থী লাল্লু সিং। মোট ৯ বার বিধায়ক হওয়ার পাশাপাশি দুবার সাংসদও হয়েছিলেন তিনি। স্থানীয় নেতাদের একাংশের মতে, রামমন্দির উদ্বোধনের পর থেকে সেভাবে প্রচারে জোর দেননি লাল্লু। অনায়াসে জিতে যাবেন সমাজবাদী পার্টির (Samajwadi Party) দলিত প্রার্থীর বিরুদ্ধে, এমনটাই অনুমান ছিল তাঁর। কিন্তু ভোটের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, প্রায় ৫৫ হাজার ভোটে হেরে গিয়েছেন লাল্লু।
[আরও পড়ুন: বিজেপির নির্দেশেই দালাল স্ট্রিটে মেগা স্ক্যাম! মোদি-শাহর বিরুদ্ধে সংসদীয় তদন্তের দাবি রাহুলের]
সংরক্ষিত আসন ছিল না ফৈজাবাদ। সেখান থেকেও জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন সমাজবাদী পার্টির অবধেশ। বিজেপির জয়রথ থামিয়ে তিনি বলছেন, অযোধ্যা (Ayodhya) রামমন্দির তৈরির কৃতিত্ব একাই নিতে চেয়েছিল বিজেপি। কিন্তু এই মন্দির তৈরি হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে। রামমন্দির তৈরির কৃতিত্ব নিতে গিয়ে বেকারত্ব, দারিদ্র্য, মূল্যবৃদ্ধির মতো একাধিক সমস্যাকে উপেক্ষা করেছে গেরুয়া শিবির। অবধেশের মতে, “বিজেপির বিরুদ্ধে আমি লড়াই করিনি। সমস্ত মানুষ একজোট হয়ে লড়েছেন।”
তবে ভগবান রামের আশীর্বাদেই নির্বাচনে জিতেছেন বলে জানান অবধেশ। সমাজবাদী পার্টির সদ্যনির্বাচিত সাংসদ বলেন, তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্যের নামের মধ্যেই রয়েছে রামের নাম। অযোধ্যায় জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাঁরা ধন্য। তাই ভোটে জেতার জন্য বিশেষ কোনও কৌশল নেননি অবধেশ। ভগবান রামের আশীর্বাদ আর আমজনতার সমর্থনের উপর ভরসা রেখেছিলেন। তাতেই বাজিমাত। উত্তরপ্রদেশের বয়স্কতম সাংসদ হিসাবে সংসদে বসবেন অবধেশ প্রসাদ।
[আরও পড়ুন: রবিসন্ধ্যায় শপথ মোদির! দিল্লিতে তুঙ্গে তৎপরতা]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন