সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সরকার পালটেছে। আচ্ছে দিন এসেছে। জিএসটি চালু হয়েছে। কন্ডোমের মতো সামগ্রী করমুক্ত ঘোষণা হয়েছে। তাহলে স্যানিটারি ন্যাপকিনের উপর কেন ১২ শতাংশ ধার্য হয়েছে? ফের এই প্রশ্ন তুললেন অভিনেত্রী কল্কি কোয়েচলিন। রীতিমতো ভিডিও আপলোড করে নিজের ক্ষোভ জাহির করলেন অভিনেত্রী।
[জানেন, নেটদুনিয়ায় জনপ্রিয় হওয়ায় কী বিপদে পড়েছিলেন সানি লিওন?]
বছরের এই কয়েকটা দিন মেয়েদের জীবনে অবধারিত। জানে সকলেই। তবে এখনও প্রকাশ্যে এ সম্পর্কে বলা বারণ। এখনও ঋতুস্রাব কথাটা সকলের সামনে উচ্চারণ করা যেন অপরাধ। অনেক কিছু ছোঁয়া বারণ, অনেক জায়গায় যাওয়া বারণ। এখনও নেপালে ‘চৌপদি’র অজুহাতে মেয়েদের ঋতুস্রাবের সময় অপবিত্র বলে আলাদা থাকতে বাধ্য করা হয়। থাকতে দেওয়া হয় নোংরা, স্যাঁতস্যাঁতে ঘরে। যদিও সরকারিভাবে এই রীতি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
[নিষিদ্ধ নয় ‘মার্শাল’, বাক স্বাধীনতার পক্ষেই রায় আদালতের]
আর ভারতে? হুইসপার, স্টে ফ্রি-র মূল্য ক’জনে বোঝেন? এখনও গ্রামে-গঞ্জে মানুষের ধারণাই নেই স্যানিটারি ন্যাপকিন সম্পর্কে। সেই স্যানিটারি ন্যাপকিন, যার উপরে প্রথমে ১৩.৭ শতাংশ জিএসটি ধার্য করেছিল সরকার। পরে অবশ্য ‘কৃপা’ করে কিছুটা কমিয়ে ১২ শতাংশ জিএসটি ধার্য করা হয়। কিন্তু এটাও কী যুক্তিযুক্ত? ‘আচ্ছে দিন’-এর এই দেশে যেখানে কন্ডোমের মতো সামগ্রীকে প্রকাশ্যে বিক্রি করা যায়, তা করমুক্ত করে দেওয়া যায়, তাহলে স্যানিটারি ন্যাপকিনের মতো প্রয়োজনীয় সামগ্রীকে নয় কেন? এই প্রশ্নই ফের তুললেন কল্কি। প্রশ্নটা অবশ্য বহু আগে থেকেই উঠেছে। যখন আনুষ্ঠানিকভাবে গুডস অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্যাক্সের ঘোষণা হয়েছিল। তবে উত্তর এখনও মেলেনি। সময় মানুষের স্মৃতি থেকে তা প্রায় মুছেও দিতে চলেছিল। কিন্তু নায়িকা ফের সওয়াল তুলে দিলেন ‘আচ্ছে দিন’-এর উপর।
[‘অভিনেতাদের বুদ্ধি কম, তাহলে কি একটা এন্ট্রান্স পরীক্ষার ব্যবস্থা হবে?’]