Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
KP Sharma Oli

আস্থাভোটে হেরে প্রচণ্ডের বিদায়, নেপালের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন ওলি

সোমবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন ওলি ও তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০২৪, ১৯:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০২৪, ১৯:২৯

options
link
আস্থাভোটে হেরে প্রচণ্ডের বিদায়, নেপালের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন ওলি zoom
ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আস্থাভোটে হারের পরই ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল পুষ্পকমল দাহাল প্রচণ্ডের। অবশেষে রবিবার নয়া প্রধানমন্ত্রী পেল ভারতের প্রতিবেশী দেশ নেপাল। রবিবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ৭২ বছর বয়সী কেপি শর্মা ওলিকে নিযুক্ত করলেন নেপালের প্রেসিডেন্ট রাম চন্দ্র পাওডেল। ফলে রাজনৈতিক অস্থিরতা কাটিয়ে জোটের সরকার গঠিত হল এই দেশে। জানা যাচ্ছে, আগামী সোমবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন অলি ও তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা।

শুক্রবার পার্লামেন্টে আয়োজিত আস্থাভোটে নিজের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে পারেননি নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দাহাল প্রচণ্ড। ২৭৫ আসনের সংসদে মাত্র ৬৩টি ভোট পান তিনি। আস্থাভোটে হেরে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফাও দেন প্রচণ্ড। ২০২২ সালের ২৫ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister) হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলে ৬৯ বছর বয়সি প্রচণ্ড। তার পর থেকে এখনও পর্যন্ত ৪ বার আস্থাভোট হয়েছে নেপালে (Naepl)। প্রতিবারই জিতে গিয়েছিলেন তিনি। তবে গত ৩ জুলাই প্রচণ্ড সরকারের উপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নেয় কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল-ইউনিফায়েড মার্কসিস্ট লেনিনিস্ট (সিপিএন-ইউএমএল)। এর জেরে ফের আস্থাভোটের মুখে পড়তে হয় প্রচণ্ড সরকারকে। ২৭৫ সদস্যের প্রতিনিধি সভায় জিততে গেলে প্রয়োজন ছিল ১৩৮টি ভোট। সেখানে মাত্র ৬৩টি ভোট পায় প্রচণ্ড সরকার। বিপক্ষে ভোট পড়ে ১৯৪টি। যার জেরে মাত্র ১৯ মাসের মধ্যে সরকার পড়ে যায় নেপালে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: মাটি খুঁড়তেই ‘ঐতিহাসিক’ রত্নভাণ্ডার! বিপুল সোনা, রুপো দেখে ‘থ’ মনরেগা শ্রমিকরা]

সংখ্যাতত্ত্বের হিসেব অনুযায়ী, নেপালে অলির দল সিপিএন-ইউএমএলের আসনসংখ্যা ৭৮টি, নেপালি কংগ্রেস ৮৯টি। ফলে সরকার গঠনে জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণে প্রয়োজন ১৩৮টি আসন। সেখানে এই দুই দলের মিলিত আসনসংখ্যা ১৬৭টি। প্রচণ্ড সরকারের পতনের পর কেপি শর্মা ওলিকে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সমর্থন দেয় নেপালি কংগ্রেসের সভাপতি শের বাহাদুর। সেই মতো রবিবার অলিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করলেন নেপালের প্রেসিডেন্ট।

[আরও পড়ুন: আস্থাভোটে হেরে ‘গদি’ খোয়ালেন প্রচণ্ড, নেপালে তুঙ্গে রাজনৈতিক ডামাডোল]

উল্লেখ্য, এর আগে, দুইবার নেপালের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন কেপি শর্মা ওলি। প্রথমবার নির্বাচিত হন ২০১৫ সালে এবং দ্বিতীয়বার ২০১৮ সালে। তবে গদি ছাড়া হওয়ার পর মাত্র ১৯ মাসের ব্যবধানে প্রচণ্ড সরকারকে ধরাশায়ী করে ফের নেপালের মসনদে বসলেন কেপি শর্মা ওলি।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.