সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জাতীয় খাবারের শিরোপা পেতে চলেছে খিচুড়ি। খবর চাউর হওয়া মাত্র দিকে দিকে রীতিমতো সাড়া পড়ে গিয়েছিল। ভারতের প্রায় প্রত্যেক প্রদেশেই জনপ্রিয় খিচুড়ি। যদিও উপকরণে, স্বাদে খানিক হেরফের আছে। কিন্তু তেলেভাজা সহযোগে খিচুড়ি ভালবাসে না এমন লোক মেলা বিরল। সুতরাং একটা স্বাদে-আহ্লাদে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। কিন্তু কেন্দ্রীয় খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ মন্ত্রী হরসিমরত কউর বাদল সাফ জানিয়ে দিলেন এটা রটনা মাত্র।
[ যে কোনও শরীরী স্পর্শই যৌন হেনস্তা নয়, মত আদালতের ]
টুইট করে সব জল্পনায় জল ঢেলেছেন মন্ত্রী। এর আগে জানা যাচ্ছিল, তিনিই নাকি এ প্রস্তাব দিয়েছেন। কেন্দ্র তাতে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। ৩ বা ৪ নভেম্বর আনুষ্ঠানিক ঘোষণাও হতে পারে। জিভে জল এনে ভারতবাসী তো জাতীয় সাইড ডিশ পর্যন্ত খোঁজা শুরু করে দিয়েছিল। কিন্তু কেন্দ্রের খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ মন্ত্রী যা জানালেন তার সারমর্ম এই, অনেক জগাখিচুড়ি হয়েছে খিচুড়ি নিয়ে। তবে খিচুড়ি জাতীয় খাবারের স্বীকৃতি পাচ্ছে না। ‘ওয়ার্ল্ড ফুড ইন্ডিয়া’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে খিচুড়িকে রেকর্ড এন্ট্রি হিসেবে রাখা হবে। এর আগে এই অনুষ্ঠানের প্রশংসা শোনা গিয়েছিল বস্ত্রমন্ত্রী স্মৃতি ইরানির মুখে। তিনি জানিয়েছিলেন, এই অনুষ্ঠান একদিকে কৃষকদের উপকারে লাগছে। অন্য দিকে ছোট উদ্যোগপতিদের সামনে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলে দিচ্ছে। সেখানেই স্থান খিচুড়ির। আপাতত জাতীয় পাতে তা পড়ছে না।
Enough Khichdi cooked up on a fictitious ‘National Dish’. It has only been put for a record entry in #WorldFoodIndia.
— Harsimrat Kaur Badal (@HarsimratBadal_) November 1, 2017
[ উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর, আলোচনায় নোট বাতিল-জিএসটি ]
তবে রেকর্ড এন্ট্রির জন্য বিরাট আয়োজন হচ্ছে। ৮০০ কেজি খিচুড়ি রান্না করা হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিতরা তো তা পাবেনই। পাশাপাশি অসংখ্য দুঃস্থ-অনাথ বাচ্চারাও এ স্বাদের ভাগ পাবে। তার উপর, গোটা পৃথিবীকেও দেখিয়ে দেওয়া যাবে ভারতের খিচুড়ি বস্তুটি আসলে কী। রেকর্ডের জন্য তো একটু বড়সড় ভাবনা ভাবতেই হবে। এই ভাবনার দৌলতেই জাতীয় খাদ্যের স্বীকৃতির রটনাও ছড়িয়েছিল। তবে শেষমেশ তাতে ইতিটানলেন মন্ত্রী নিজেই। কউর রেকর্ডকে গুরুত্ব দিলেও স্বীকৃতিতে সায় দেয়নি।