স্টাফ রিপোর্টার: দমদম রোডের গৃহবধূ গোধূলি ঘোষ ওরফে রাধা খুন হওয়ার পর বৃহস্পতিবার রাতেই গৃহবধূর প্রেমিক সঞ্জয় মিস্ত্রি ও স্বামী প্রদীপ ঘোষকে আটক করেছিল চিৎপুর থানার পুলিশ। আটক করার পর সারারাত ধরে চলে পুলিশের ম্যারাথন জেরা। এই জেরাতেই খুনের কথা স্বীকার করে নেয় সঞ্জয়। জেরায় সে জানায়, “রাতে আমার বাবা-মাকে তুমুল গালিগালাজ করছিল রাধা। তাতেই উত্তেজিত হয়ে কাটারি দিয়ে আমি তাকে খুন করি।” রাধার ঘর থেকে রক্তমাখা কাটারিও উদ্ধার করে চিৎপুর থানার পুলিশ।
[যুবতীদের ডান্স বারে নাচতে চাপ, শিলিগুড়ি থেকে ধৃত দম্পতি]
প্রায় বছরখানেক ধরে রাধা-সঞ্জয়ের শারীরিক সম্পর্ক ছিল। সেকথা আঁচ করতে পারতেন স্বামী প্রদীপ। কিন্তু বাইরের সকলের কাছেই স্বামীর পরিচয় দিতেন না রাধা। সকলের কাছেই রাধা বলতেন, প্রদীপ ঘোষ আমার দাদা। রাধা একজন যৌনকর্মী। প্রদীপ তেমন কিছু রোজগার করেন না। তিনি কলকাতা পুরসভার ১০০ দিনের কাজ করেন। তাঁদের একটি সাত বছরের কন্যাসন্তানও আছে। সংসারে চরম আর্থিক সংকট। এই সংকট মেটাতে যৌন ব্যবসায় নামেন রাধা। এমনকী রাধা প্রায় প্রতিদিনই সোনাগাছিতে গিয়ে যৌন ব্যবসায় যুক্ত হতেন। এই ব্যবসার ফলেই বছরখানেক আগে সঞ্জয় মিস্ত্রির সঙ্গে রাধার আলাপ হয়। সঞ্জয়ের বাড়ি পোর্ট ব্লেয়ারে। সেখানে তার সংসার আছে। থাকেন সঞ্জয়ের বাবা, মা ও স্ত্রী সাত বছরের কন্যাসন্তান।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাধার বাড়িতে আসে সঞ্জয়। কিছু টাকা স্বামী প্রদীপের হাতে গুঁজে দিয়ে রুটি কিনতে পাঠান রাধা। এর পরেই তাঁর সঙ্গে দৈহিক সুখ আদানপ্রদানে জড়িয়ে পড়ে সঞ্জয়। দু’জনের দৈহিক চাহিদা মিটতেই শুরু হয় বচসা। সঞ্জয়ও উত্তেজিত হয়ে যায়। খাটের নিচে থেকে কাটারি বের করে রাধাকে কোপাতে থাকে সে। তাতেই মৃত্যু হয় রাধার।
[‘ড্রাগন’ বধে ভারতের হাতে আসছে বিধ্বংসী ‘গ্লাইড বম্ব’ ]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন