Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

টিপু সুলতানের জন্মজয়ন্তীতে কর্ণাটক জুড়ে বিজেপির বিক্ষোভ, কড়া প্রশাসন

বাস ভাঙচুর, নিষিদ্ধ মদ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৯, ১৪:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৯, ১৪:০২

options
link
টিপু সুলতানের জন্মজয়ন্তীতে কর্ণাটক জুড়ে বিজেপির বিক্ষোভ, কড়া প্রশাসন zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রতিবাদ সত্ত্বেও মহা সমারোহে টিপু সুলতানের জন্মজয়ন্তী উদযাপনের আয়োজন করছে কংগ্রেস। কংগ্রেস শাসিত কর্ণাটকে এই উদযাপন উপলক্ষ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ১১ হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে শুধু বেঙ্গালুরুতেই। প্রয়োজনে জারি করা হবে ১৪৪ ধারা। কেউ আইন ভাঙলে তাঁকে কড়া শাস্তি পেতে হবে বলে জানিয়েছেন বেঙ্গালুরু পুলিশের কমিশনার টি সুনীল কুমার।

এডিজিপি আইনশৃঙ্খলা কমল পন্ত জানিয়েছেন, কর্ণাটকের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে কোডাগু, চিত্রদুর্গা ও মেঙ্গালুরুকেও। টিপু সুলতানের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে রাজ্যে মদ বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু নিরাপত্তা ব্যবস্থা এত আঁটোসাঁটো করার পিছনে কারণটা কী? আসলে টিপু সুলতানের জন্মবার্ষিকী পালনকে কেন্দ্র করে ২০১৫-য় রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে কোদাডাগু। মৃত্যু হয় ২ জনের। ওই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার অতিরিক্ত সতর্ক পুলিশ ও প্রশাসন। গত দু’বছরে দক্ষিণের এই রাজ্যে টিপু সুলতানের জন্মজয়ন্তী পালনের প্রতিবাদে বিক্ষোভও হয়েছে বিস্তর। তবে নিজেদের সিদ্ধান্তে এখনও অনড় কর্ণাটক সরকার। মাইসুরুর রাজা টিপু সুলতানকে ধর্ষক ও খুনি বলে অভিহিত তোপ দেগেছেন বিজেপির অনন্ত হেগড়ে। তিনি আবার উত্তর কন্নড়ের পাঁচবারের সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বিজেপির দাবি, টিপু সুলতান এক অত্যাচারী শাসক ছিলেন। বহু হিন্দুকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে বাধ্য করেছিলেন তিনি। টিপু সুলতানের জন্মজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে তাঁকে আমন্ত্রণ না জানানোর অনুরোধ জানিয়ে কর্নাটকের মুখ্যসচিব ও উত্তর কন্নড়ের ডেপুটি কমিশনারকে চিঠি দেন হেগড়ে। সেই চিঠির ছবি দিয়ে টুইটও করেন। লেখেন, ‘নৃশংস খুনি, ধর্মান্ধ ও গণধর্ষণকারী হিসেবে লোকে যাকে চেনে, তাকে মহিমান্বিত করে তোলার লজ্জার আসরে আমাকে যেন আমন্ত্রণ না করা হয়।’ রাজ্যের একজন সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এ হেন আচরণে তীব্র সমালোচনা করেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া। তাঁর বক্তব্য, একজন মন্ত্রী হয়ে এমন কথা লেখা উচিত হয়নি অনন্ত কুমারের। বিষয়টি নিয়ে অহেতুক রাজনীতি করছেন তিনি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.