সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অপেক্ষার হাতে গোনা কয়েকদিন। মা আসছেন। দেবীর আগমন প্রত্যেকের জীবনে সুসময় বয়ে আনে। তবে মানুষের জীবন অনিশ্চতায় ভরা। সমস্যা যেকোনও সময়ে আসতে পারে। অর্থকষ্ট অনেক সমস্যার মূলে থাকে। তা থেকে মুক্তি পেতে দুর্গাপুজোয় রাশি অনুযায়ী কয়েকটি সহজ টোটকা মেনে চলতে পারেন। তাতে উপকার পাবেন।
রাশি অনুযায়ী টোটকা:
মেষ: এই রাশির জাতক-জাতিকা অর্থকষ্টে ভুগলে দুর্গাপুজোর সময় দেবীকে লাল ফুল নিবেদন করলে উপকার পেতে পারেন। যেকোনও দিন এই ফুল দেবীর পায়ে নিবেদন করুন।
বৃষ: এই রাশির জাতকরা অর্থের দিকটি শক্তিশালী করতে পুজোর সময় মাকে শ্বেতবস্ত্র নিবেদন করুন। পুজোর সময় মায়ের সামনে দুর্গা শ্লোক পাঠ করলেও অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হতে পারে।
মিথুন: উপকার পেতে পুজোর দিনগুলোতে মিথুন রাশির ব্যক্তিরা মাকে পঞ্চামৃত নিবেদন করুন তাতে আর্থিক উপকার মিলতে পারে।
কর্কট: আর্থিক সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে এই রাশির জাতক-জাতিকারা ষষ্ঠী থেকে নবমী এই চারদিন মধ্যে যে কোনও দিন মায়ের কাছে দই ও বাতাসা দিন, তাতে উপকার পেতে পারেন।
সিংহ: মায়ের পায়ে কেশর নিবেদন করলে সিংহ রাশির জাতক-জাতিকাদের অর্থকষ্ট দূর হতে পারে।
কন্যা: পুজোর দিনগুলোতে কন্যা রাশির জাতক-জাতিকারা দুধ বা আতপ চাল দিতে পারেন।
তুলা: অর্থের অভাব কমাতে লাল রঙের শাড়ি দিলে এই রাশির জাতক-জাতিকাদের কষ্ট দূর হতে হবে।
বৃশ্চিক: অষ্টমীর দিন এই রাশির জাতক-জাতিকারা মাকে ১০৮টি জবা ফুলের মালা দিন। অথবা পুজোর দিনগুলোতে একটু একটু করে গুড় নিবেদন করতে পারেন।
ধনু: অর্থাভাব কাটাতে ধনু রাশির লোকেরা নবমীর দিন দেবী দুর্গাকে তিলের তেল অর্পণ করুন। এছাড়া হলুদ রঙের ফল বা মিষ্টিও দিতে পারেন।
মকর: মকর রাশির জাতক-জাতিকারা সপ্তমীর দিন দশভূজাকে নারকেল বা নারকেলের তৈরি যে কোনও খাবার অর্পণ করুন। তাতে অর্থের অভাব দূর হতে পারে।
কুম্ভ: দেবীর আশীর্বাদ পেতে কুম্ভ রাশির ব্যক্তিরা ষষ্ঠী থেকে অষ্টমী এই তিনদিন ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালুন।
মীন: মায়ের পুজোয় ব্যবহৃত হলুদ ফুল ও কলা প্রদান করলে এই রাশির জাতকরা শুভ ফল পাবেন।