Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Justice Sanjiv Khanna

নির্বাচনী বন্ড থেকে ৩৭০ ধারা, দিয়েছেন বহু গুরুত্বপূর্ণ রায়, চিনে নিন দেশের সম্ভাব্য প্রধান বিচারপতিকে

১৯৮৩ সালে আইনজীবী হিসাবে কাজ শুরু করেন বিচারপতি সঞ্জীব খান্না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৭, ২০২৪, ১৩:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৭, ২০২৪, ১৩:৩৩

options
link
নির্বাচনী বন্ড থেকে ৩৭০ ধারা, দিয়েছেন বহু গুরুত্বপূর্ণ রায়, চিনে নিন দেশের সম্ভাব্য প্রধান বিচারপতিকে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সব ঠিক থাকলে দেশের পরবর্তী প্রধান বিচারপতি হতে চলেছেন বিচারপতি সঞ্জীব খান্না। এই মুহূর্তে সুপ্রিম কোর্টে সিনিয়রিটির ভিত্তিতে তিনিই রয়েছেন দু’নম্বরে। গত প্রায় পাঁচ বছর ধরে সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি পদে কাজ করছেন সঞ্জীব খান্না(Justice Sanjiv Khanna)। এই পাঁচ বছরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছন তিনি।

১৯৮৩ সালে আইনজীবী হিসাবে কাজ শুরু করেন বিচারপতি খান্না। প্রাথমিকভাবে তিনি প্র্যাকটিস শুরু করেন দিল্লির তিস হাজারি কোর্টে। কিছুদিন পরই তিনি প্র্যাকটিস শুরু করেন দিল্লি হাই কোর্টে। এর মধ্যে আয়কর বিভাগ এবং দিল্লি সরকারের আইনজীবী হিসাবে কাজ করেন। ২০০৫ সালে দিল্লি হাই কোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি পদে নিযুক্ত হন বিচারপতি খান্না। ২০০৬ সালে দিল্লি হাই কোর্টের স্থায়ী বিচারপতি পদে উন্নীত হন তিনি।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

২০১৯ সালে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি পদে উন্নীত হন বিচারপতি খান্না। তাৎপর্যপূর্ণভাবে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি হওয়ার আগে কোনও হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসাবে কাজ করেননি তিনি। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি পদে বিচারপতি খান্নার নাম সুপারিশ করেছেন বর্তমান প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়। দেশের ৫১তম প্রধান বিচারপতি হবেন বিচারপতি খান্না। ২০২৫ সালের ১৩ মে অবসর নেবেন তিনি।

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসাবে পাঁচ বছরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন বিচারপতি খান্না। যার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য, কেন্দ্রের প্রস্তাবিত সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পে ছাড়পত্র দেওয়া। সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিলের বিরুদ্ধে যে মামলা দায়ের হয়েছিল সেটা খারিজ করা। নির্বাচনী বন্ড অসাংবিধানিক ঘোষণা। ইভিএমের সঙ্গে ১০০ শতাংশ ভিভিপ্যাট মিলিয়ে দেখার মামলা খারিজ করা। প্রধান বিচারপতির দপ্তরকে RTI-এর অধীনে আনার নির্দেশ দেওয়া।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.