Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
MK Stalin

‘জোর করে সর্বত্র হিন্দি চাপানো হচ্ছে’, রাজ্য সঙ্গীত বিতর্কের মাঝেই সুর চড়ালেন স্ট্যালিন

অহিন্দিভাষী রাজ্যে হিন্দি মাস সমাপন সমারোহ আসলে অন্য ভাষাকে ছোট করা, সরব স্ট্যালিন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৯, ২০২৪, ১৫:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৯, ২০২৪, ১৫:০০

options
link
‘জোর করে সর্বত্র হিন্দি চাপানো হচ্ছে’, রাজ্য সঙ্গীত বিতর্কের মাঝেই সুর চড়ালেন স্ট্যালিন zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দক্ষিণের রাজ্যে ফের চরম আকার নিল হিন্দি বিতর্ক। চেন্নাই দূরদর্শনে হিন্দি মাস সমাপন সমারোহ পালনের নিন্দায় সরব হলেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন। কড়া সুরে জানালেন, ‘ভারত বহু ভাষার দেশ। সেখানে অহিন্দিভাষী রাজ্যে জোর করে হিন্দি মাস উদযাপন আসলে অন্য ভাষাকে ছোট করা।’

সম্প্রতি চেন্নাইয়ে হিন্দি মাস সমাপন সমারোহে দক্ষিণী রাজ্যের রাজ্য সঙ্গীত ‘তামিল থাই বাজথু’ গাওয়া হচ্ছিল। দেখা যায় ‘দ্রাবিড়’ শব্দটি বাদ পড়েছে। বিতর্কের সূত্রপাত এখান থেকেই। এই ইস্যুতে রাজ্যপালকে আক্রমণ শানিয়ে স্ট্যালিনের খোঁচা, রাজ্যপালের ‘দ্রাবিড়িয়ান’ অ্যালার্জি রয়েছে। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, ”দ্রাবিড় শব্দটি বাদ দিয়ে তামিলনাড়ুর রাজ্য সঙ্গীত গাওয়া তামিলনাড়ুর আইনের পরিপন্থী। যে মানুষ আইন না মেনে নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী চলেন, তাঁর ওই পদে থাকারই কথা নয়। ভারতকে উদযাপন করতে গিয়ে রাজ্যপাল দেশের একতাকে এবং এখানে বসবাসকারী বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষকেই অপমান করলেন। ‘দ্রাবিড়িয়ান’ অ্যালার্জিতে ভুগতে থাকা রাজ্যপালের কি সাহস হবে জাতীয় সঙ্গীত থেকে শব্দটি বাদ দেওয়ার? কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত এখনই ওঁকে সরিয়ে দেওয়া যিনি ইচ্ছাকৃত ভাবে তামিলনাড়ু ও সেখানকার মানুষদের ভাবাবেগকে আঘাত করেছেন।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

দ্রাবিড় শব্দ বিতর্কের রেশ ধরেই এর পর চেন্নাই দূরদর্শনে হিন্দি মাস সমাপন সমারোহ পালনের নিন্দা করেন মুখ্যমন্ত্রী। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, ‘চেন্নাই দূরদর্শনে হিন্দি মাস সমাপন সমারোহ পালনের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি আমি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, দেশের সংবিধান কোনও ভাষাকেই রাষ্ট্রীয় ভাষার মর্যাদা দেয়নি। ফলে আমার পরামর্শ অহিন্দি রাজ্যে এভাবে জোর করে হিন্দি ভাষাকে চাপিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ করা উচিৎ। এবং যে রাজ্যে যে ভাষা ব্যবহৃত হয় সেই ভাষাকে সম্মান জানিয়ে সংশ্লিষ্ট ভাষায় সমাপন সমারোহ আয়োজন করা উচিৎ।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

এদিকে বিতর্কের মাঝে রাজ্যপালের দপ্তর স্ট্যালিনের যাবতীয় অভিযোগকে উড়িয়ে দিয়েছে। সেখান থেকে সাফ জানানো হচ্ছে, রাজ্যপাল সেখানে অতিথি হিসেবেই গিয়েছিলেন। এবং তিনি কোনও নির্দেশ দেননি। তবে যাঁরা গানটি গাইছিলেন তাঁরা অসাবধনতাবশত ওই শব্দটি বাদ দিয়ে ফেলেন। তবে এ দাবি একেবারেই মানতে নারাজ স্ট্যালিন। তাঁর দাবি, আগেই এই রাজ্যপাল এই ধরনের কাজ করেছেন। প্রতিবার বিষয়টা অসাবধানতা নয় ইচ্ছাকৃত। পালটা স্ট্যালিনকে তোপ দেগেছেন রাজ্যপাল রবি। তার অভিযোগ, ভাষাকে হাতিয়ার করে তামিলনাড়ুকে দেশ থেকে আলাদা করার পরিকল্পনা করেছে এরা। তবে এই ষড়যন্ত্র সফল হবে না। রবির অভিযোগ, তামিলনাড়ু হল এমন এক রাজ্য যারা ত্রিভাষা ফর্মুলায় নিজের ভাষা ছাড়া সব ভাষার বিরোধিতা করে। অথচ বাকি ২৭ রাজ্য এই নীতি স্বীকার করে নিয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.