Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Kamala Harris

লড়াকু ‘ঘরের মেয়ে’ ফিরে আসবেই, ভোটে হারলেও কমলার পাশে তামিলনাড়ুর গ্রাম

গতকাল ‘ঘরের মেয়ে’র জয় কামনায় পূজার্চনায় মেতেছিল তামিলনাড়ুর গ্রাম।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৬, ২০২৪, ১৯:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৬, ২০২৪, ১৯:৫৪

options
link
লড়াকু ‘ঘরের মেয়ে’ ফিরে আসবেই, ভোটে হারলেও কমলার পাশে তামিলনাড়ুর গ্রাম zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘ঘরের মেয়ে’র জয় কামনায় ১৪ হাজার কিলোমিটার দূরে পূজার্চনায় মেতেছিল তামিলনাড়ুর গ্রাম। ‘ঘরের মেয়ে’ কমলা হ্যারিস। বলা বাহুল্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী তিনি। না, জয় পাননি। তাঁকে হারিয়ে দ্বিতীয়বার মার্কিন মসনদে ফিরেছেন রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্প। জো বাইডেনের উত্তরসূরির জন্য মন খারাপ হলেও ভেঙে পড়তে রাজি নয় তিরুভারুর জেলার থুলাসেন্দ্রাপুরম গ্রাম। গ্রামবাসীদের দাবি, লড়াকু কমলা ঠিক ফিরে আসবেন।

কমলার সৌজন্যেই চেন্নাই থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরের অখ্যাত গ্রাম হঠাৎ প্রচারের আলোয় উঠে এসেছে। মার্কিন নেত্রীর দাদু (মায়ের বাবা) পিভি গোপালনের জন্ম এই গ্রামে। এক সময় ভারতীয় কূটনীতিক হিসাবে জাম্বিয়ায় চলে হন তিনি। কমলবার মা শ্যামলার সঙ্গে এই গ্রামের তেমন সম্পর্ক নেই। যেহেতু বাবার কর্মসূত্রে বিভিন্ন দেশে বড় হয়েছেন তিনি। যদিও থুলাসেন্দ্রাপুরমের প্রবীণরা মনে করতে পারেন, কমলা ও তাঁর বোন মায়া যখন ছোট মা শ্যামলা তখন গ্রামে এসেছিলেন।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কমলা ডেমোক্র্যাটদের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসতেই একচোট উৎসবে মেতে ছিল তামিলনাড়ুর গ্রাম। গতকাল বিশেষ পূজার্চনা হয়েছিল ‘ঘরের মেয়ে’র জয় কামনায়। বুধবার সকাল থেকে গ্রামবাসীদের নজরে ছিল ভোটগণনার দিকে। টানটান উত্তেজনায় সকলেই বসে পড়েছিলেন টিভির সামনে। অনেকে আবার মন্দিরে যান আরেক দফা প্রার্থনায়। যদিও হার হয়েছে ডেমোক্র্যাটদের। সময় যত গড়িয়েছে তত স্পষ্ট হয়েছে, কমলা নয় ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই ঘটনায় প্রাথমিকভাবে মনখারাপ হলেও ভেঙে পড়তে রাজি নন থুলাসেন্দ্রাপুরমের বাসিন্দারা।

স্থানীয় বাসিন্দা এক ডিএমকে নেতা জে সুধাকর বলেন, “উৎসব পালনে তৈরি ছিলাম আমরা। বাজি, মিষ্টি রাখা ছিল। কমলা জিতলে পুজোর আয়োজন হত, একসঙ্গে খাওয়ার-দাওয়ারও কথা ছিল। যদিও তা ভেস্তে গিয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “ব্যর্থতা জীবনের অংশ। কঠিন লড়াই হয়েছে। ওঁর লড়াকু মানসিকতাকে কুর্নিশ জানাতেই হবে আমাদের। কঠিন ধাঁতের কমলা ঠিক ফিরে আসবেন।” গ্রামের বাকিরাও ডিএমকে নেতার সঙ্গে একমত।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.