Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

দিল্লি কি আদৌ ভারতের রাজধানী? মামলা সুপ্রিম কোর্টে

কিন্তু হঠাৎ এই প্রশ্ন উঠছে কেন?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৯, ১২:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৯, ১২:২৬

options
link
দিল্লি কি আদৌ ভারতের রাজধানী? মামলা সুপ্রিম কোর্টে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিল্লিকে যে রাজধানীর তকমা দেওয়া হয়েছে তা কি সংবিধানে বলা হয়েছে? নাকি সংসদে এই সংক্রান্ত কোনও আইন আনা হয়েছে? সুপ্রিম কোর্টে এই প্রশ্নই রাখল অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সরকার।

[যৌবনে ‘অ্যাডাল্ট’ ছবি দেখতেন, স্বীকার করলেন গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

দিল্লির প্রশাসনিক ক্ষমতার দখল নিয়ে কেন্দ্র ও কেজরিওয়াল সরকারের বিবাদ বহুদিনের। এর জেরেই এই মামলা বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। দিল্লি সরকারের আইনজীবী ইন্দিরা জয় সিং এই সওয়াল তুলে ধরেন প্রধান বিচারপতি এ কে সিক্রির বেঞ্চের কাছে। দিল্লিতে বিশেষ কিছু প্রশাসনিক ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে কার নির্দেশ মানা হবে তা নিয়ে ধোয়াঁশা কাটাতেই এই প্রশ্ন দিল্লি সরকারের আইনজীবীর। শীর্ষ আদালতে জয়সিং বলেন, রাজধানী দিল্লি কোনও আদৌ কোনও আইন দ্বারা স্বীকৃত? চাইলে কি আগামিকাল অন্য জায়গায় রাজধানী স্থানান্তরিত করতে পারে কেন্দ্র সরকার? এমনকী, দিল্লিই যে রাজধানী, এমন কথা সংবিধানে কোথাও কি বলা রয়েছে? ব্রিটিশরা কলকাতা থেকে রাজধানী দিল্লিতে সরিয়ে নিয়ে আসে। যদিও ‘ন্যাশনাল ক্যাপিটাল টেরিটরি অফ দিল্লি অ্যাক্ট (NCT) রয়েছে। কিন্তু সেখানেও দিল্লিকে রাজধানী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি বলে দাবি আপ-এর আইনজীবীর।

NCT-র উপর কেন্দ্রীয় সরকার ও দিল্লি সরকার উভয়ের কর্তৃত্ব থাকবে কি না তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন দুঁদে আইনজীবী ইন্দিরা জয় সিং। দিল্লির প্রাক্তন রাজ্যপাল নজিব জং-য়ের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়ালের খটাখটির পর থেকেই উঠছে এই প্রশ্ন। প্রশাসনিক কাজে বাধা দিচ্ছে কেন্দ্র, বারবার এমনটাই অভিযোগ করে এসেছেন কেজরিওয়াল। সেই প্রসঙ্গেই এদিন জয় সিং বলেন, একটি জাহাজে দু’জন ক্যাপ্টেন থাকতে পারে না। ফলে কেন্দ্র ও দিল্লি সরকারের মধ্যে ক্ষমতার সমান ও স্পষ্ট বিভাজন হওয়া উচিত। জবাবে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, সব রাজ্যকেই কেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে কাজ করতে হবে। প্রশাসনিক ক্ষমতা বিভাজনের কথা কোনও আইনে বলা নেই।

[রেজিস্ট্রি বিয়ে বাতিল করে অন্য যুবকের সঙ্গে সম্পর্ক, তরুণীর রহস্যমৃত্যু]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.