কাছের মানুষরাই হাজির ছিলেন শ্রীময়ীর সাধ অনুষ্ঠানে। সোহাগে-আদরে স্ত্রীকে সাধ দেন কাঞ্চন। ছবি দেখে যা বোঝা যাচ্ছে, সাত রকমের ভাজা, তরকারি, চাটনি, মিষ্টির আয়োজন করা হয়েছিল।
৪৬
বিয়ের ৯ মাস পূর্তিতে মা হয়েছেন শ্রীময়ী। সংসারে লক্ষ্মীর আগমনের উচ্ছ্বসিত কাঞ্চন। তারকা দম্পতি দুজনই কৃষ্ণভক্ত। সেই কারণেই মেয়ের নাম রেখেছেন কৃষভি।
Advertisement
৫৬
সাধ অনুষ্ঠানের দিন হলুদ ব্লাউজের কম্বিনেশনে বেগুনি রঙের শাড়িতে সেজেছিলেন শ্রীময়ী। কাঞ্চন ছিলেন ক্যাজুয়াল রেড টি-শার্টে। পিয়জনদের কাছ থেকে উপহারও পেয়েছিলেন অভিনেত্রী।
সাধের ছবিগুলো শেয়ার করে শ্রীময়ী লেখেন, 'প্রিয় মানুষ, ভালোবাসার মানুষদের সঙ্গে কাটানো আমাদের এই দিনটা অত্যন্ত মূল্যবান। আমাদের ছোট্ট কৃষভিকে আপনারা যে আশীর্বাদ ও শুভেচ্ছা দিয়েছেন তার জন্য আমরা অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।' ছবি: ফেসবুক।
হৈমন্তিকার আরাধনায় আলোয় মাতোয়ারা চন্দননগর, এই পুজোগুলি মিস করবেন না
পুজো পরিক্রমার আগে অবশ্যই দেখে নিন অ্যালবাম।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ৮, ২০২৪, ২১:০০
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ৮, ২০২৪, ২১:০০
১১১
চারদিকে ঝলমলে আলো। চন্দননগর জুড়ে যেন আলোর বর্ণছটা। মায়াবী রূপ পেয়েছে এই শহর। সঙ্গে অভিনব মণ্ডপ সজ্জা ও প্রতিমা তাক লাগাচ্ছে। এবারের জগদ্ধাত্রী পুজোয় এই শহরে যাবেন ভাবছেন? তবে অনেক পুজোর মধ্যে কোনগুলো দেখবেন ঠাওর করতে পারছেন না? ছবিঘরে তুলে ধরা হল পাঁচটি পুজো। যা প্যান্ডেল হপিংয়ের তালিকায় রাখতেই পারেন।
২১১
চন্দননগর স্টেশনে নেমেই খলিসানী সর্বজনীনের জগদ্ধাত্রী পুজো। প্রতিবছর এই পুজো কমিটি মণ্ডপসজ্জায় দর্শনার্থীদের তাক লাগিয়ে দেয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বাঁশ ও বেতের কারুকার্য রয়েছে এবারের মণ্ডপে।
এই পুজো কমিটির প্রতিমায় রয়েছে সাবেকিয়ানা। শোলার সাজে সুউচ্চ প্রতিমা নজর কাড়বে।
৪১১
গঙ্গাপাড়ের এই শহরে ঠাকুর দেখার তালিকায় অনায়াসে জায়গা করে নিতে পারে দৈবকপাড়া সর্বজনীনের পুজো। ৫২তম বর্ষের এই পুজো সেজেছে তাঁতের শাড়ির কারুকার্যে। থিমের নাম 'আঁচল'। শিল্পী বিমল সামন্তের হাতের ছোঁয়ায় সেজে উঠেছে মণ্ডপ।
৫১১
থিমের সঙ্গে মানিয়ে তৈরি করা হয়েছে প্রতিমা। মায়ের ধ্যানমগ্ন রূপ নজর কাড়তে বাধ্য।
চন্দননগরের অন্যতম জনপ্রিয় উর্দিবাজার সর্বজনীনের পুজো। এবার তাদের ৬২ বছর। প্রতিবছরই এই কমিটি কিছু না কিছু চমক দেয়। এবার ৮হাজার গাছ দিয়ে মণ্ডপ তৈরি হয়েছে। শিল্পী প্রশান্ত পাল এই মণ্ডপ সাজিয়েছেন। রাজ্যের পরিবেশ দপ্তর এই গাছগুলি দত্তক নিয়েছে। গাছেদের পরিচর্যার দায়িত্ব নিয়ে পরিবেশরক্ষার বার্তা দিল রাজ্য সরকার।
৭১১
উর্দিবাজার পুজো কমিটির প্রতিমায় থাকছে বিশেষ চমক। এখানে প্রতিমাতেই ধরা দিয়েছে থিম। মহিষাসুরমর্দিনীর দৃশ্য ফুটে উঠেছে প্রতিমার চালচিত্রে।
৮১১
থিমের পুজোর থেকে বনেদি বা সাবেকিয়ানা বেশি পছন্দের? তাহলে আপনার গন্তব্য হোক চাউলপট্টির আদিমার পুজো। চন্দননগরের প্রাচীনতম পুজো এটি। ৩৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই পুজো হয়ে আসছে।
৯১১
কথিত আছে, আদিমার কাছে যাঁরা মানত করেন তাঁদেরকে খালি হাতে ফেরান না দেবী। থিমের রমরমার মাঝে আজও সাবেকিয়ানা বজায় রেখেছে এই পুজো।
১০১১
চন্দননগরের বড় পুজোগুলোর মধ্যে অন্যতম মধ্যাঞ্চল সর্বজনীনের পুজো। প্রতিবারের মতো এবারেও এখানকার প্রতিমায় রয়েছে সাবেকিয়ানা। মায়ের রূপ মনমুগ্ধ করবে।
১১১১
মণ্ডপসজ্জা এবং প্রতিমার পাশাপাশি নজর কাড়বে এখানকার আলোকসজ্জাও।
সাবেকি প্রতিমা থেকে থিমের মণ্ডপ, ছবিতে দেখে নিন চন্দননগরের ৫ বিখ্যাত জগদ্ধাত্রী পুজো
হিমেল হাওয়ায় দেবী জগদ্ধাত্রীর আরাধনায় আলোয় সেজেছে চন্দননগরের অলিগলি।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ৭, ২০২৪, ২০:২০
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: নভেম্বর ৭, ২০২৪, ২০:২০
১৬
দুর্গাপুজো, কালীপুজো কাটিয়ে আলোর রোশনাইয়ে সেজে উঠেছে গঙ্গাপাড়ের চন্দননগর। হিমেল হাওয়ায় দেবী জগদ্ধাত্রীর আরাধনায় আলোময় শহরের অলিগলি। কৃষ্ণনগরে মায়ের পুজো একদিনে হলেও এই শহরে চারদিন ধরেই পুজো হয়। সাবেকিয়ানার সঙ্গে সঙ্গে কোথাও রয়েছে থিমের ছোঁয়াও। রইল কিছু জনপ্রিয় পুজোর টুকরো ছবি।
২৬
চন্দননগরে জগদ্ধাত্রী পুজো কবে শুরু হয়েছিল তা নিয়ে সংশয় থাকলেও শহরের দক্ষিণ অংশের সবচেয়ে পুরনো পুজো যে লিচুতলার পুজো, তা নিয়ে সংশয় নেই। এই বারোয়ারি পুজো কমিটির ৮৫তম বর্ষে পদার্পণ করল। মণ্ডপে ঢুকলে পাবেন মাটির গন্ধ। পাখিদের আশ্রয়হীন হয়ে পড়া নিয়েই সাজানো হয়েছে মণ্ডপ। সঙ্গে নজর কাড়বে রাজকীয় প্রতিমা।
আলোকের ঝরনাধারায় সেজে উঠেছে শহর। সেজেছেন বাগবাজার সর্বজনীনের প্রতিমাও। চন্দননগরের বাগবাজার জগদ্ধাত্রী পুজো উপলক্ষে রাস্তাজুড়ে দেওয়া হয়েছে আলপনা। প্রতিবারের মতো এবারও প্রতিমায় সাবেকিয়ানা বজায় রাখা হয়েছে। ১৯০ বছরের ঐতিহ্যশালী এই পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে অনেক ইতিহাস।
৪৬
এবারের দুর্গাপুজোয় ত্রিধারা সম্মিলনীর পুজো মিস করেছেন? তাহলে ফের তা দেখার সুযোগ করে দিল চন্দননগর। হেলাপুকুর সর্বজনীনের পুজোয় ফিরেছে 'অঙ্গন'। প্রতিবারের মতো এবারেও পুজোর শুরু হতেই দর্শকদের ভিড় আছড়ে পড়েছে এই পুজো প্রাঙ্গণে।
৫৬
শহরের আরও একটি ঐতিহ্যশালী পুজো রানিমা'র পুজো। প্রায় ৮০ বছর ধরে মায়ের আরাধনা করে আসছে তেমাথা সর্বজনীন জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটি। শহরের সবচেয়ে বড় প্রতিমা হিসাবে ধরা হয় 'রানিমা'কেই। কথিত আছে, পুজোর শুরুর দিকে একমাত্র চন্দননগর তেমাথা সর্বজনীন জগদ্ধাত্রী পুজোয় প্রতিমাকে সাজানো হত সোনালি সাজে। এই উজ্জ্বল রূপে দেবীকে রাজরানির মতো দেখতে লাগত। সেই থেকেই 'রানিমা' বলে ডাকা হয় এই প্রতিমাকে।
বেশোহাটা সর্বজনীন জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটি এবারের পুজোয় তুলে ধরেছে স্বাধীনতা সংগ্রামীরদের আত্মবলিদানের কথা। আলোছায়ায় ভেসে উঠেছে দেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের সঙ্গে জড়িত সংগ্রামীদের ছবি। প্রতিমা সাবেকি।